০৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

“পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো কর্তৃক শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত মহিলা আসামী গ্রেফতার”

পিবিআই প্রধান, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বনজ কুমার মজুমদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট প্রধান পুলিশ সুপার জনাব নাইমা সুলতানা, পিপিএম-সেবা’র নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) জনাব মর্জিনা আকতার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পিবিআই চাট্টগ্রাম মেট্রো এর আভিযানিক দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার করেন।

১২ মার্চ রবিবার রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় সিএমপি, চট্টগ্রাম আওতাধীন পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন বদনাশাহ মাজার এলাকা হতে অভিযুক্ত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম (৩৮), পিতা- মৃত আব্দুল খালেক ভূঁইয়া, মাতা- মৃত মরিয়ম বেগম, সাং- রাঙ্গামাটি, আর্মি ক্যান্টনমেন্ট এর জলযানঘাট, থানা-সদর, জেলা- রাঙ্গামাটি, স্বামীর ঠিকানা- চর নটয়া, হানিফ মেমানোর বাড়ী, থানা- সুধারাম, জেলা- নোয়াখালী, বর্তমানে- ষোলশহর রেল স্টেশন, খালেকের কলোনীর ১নং রামের ভাড়াটিয়া আইডি কলোনী, থানা- পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম কে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৭ এপ্রিল ২০১২ সালেধৃত মহিলা আসানী হোসনে আরা বেগম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ০৭ চট্টগ্রামে জনৈক মোঃ রাশেদ, লিমু সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে তার মেয়ে রাশেদা আকতার (১১) কে জোরপূর্বক অপহরন করেছে মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন । উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নং-১১৮/২০২২, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ( /০৩) ৭/৩০ রুজু হয়। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি অনুসন্ধান পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর উপর দায়িত্বভার অর্পন করেন। পিবিআই গ্রা মেট্রোর উপ-পুলিশ পরিদর্শক জনাব জাহেদুজ্জামান চৌধুরী বর্ণিত নারী ও মাটি অনুসন্ধানকালে কথিত ভিকটিম রাশেদা আকতার (১১) কে উদ্ধার পূর্বক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদানের জন্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করেন। কথিত ভিকটিম রাশেদা আকতার বিজ্ঞ আদালতে তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করে যে, সে কানাশাহ মাজারের সামনে ভিক্ষা করত। তার মা হোসনে আরা বেগম পলিথিন দিয়ে তার পা পুঁড়ে দিত। পোঁড়া পা দেখিয়ে মানুষের নিকট হতে ভিক্ষা করে টাকা সংগ্রহ করত। ভিক্ষায় সংগৃহীত টাকা দিয়ে হোসনে আরা। বেগম হুন্ডা খেলত। ভিকটিম রাশেদা আকতার এর ছোট ভাই এক্সিডেন্ট করে পা ভেঙ্গে ফেলায় তার চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন হয়। তখন রাশেদ ও লিমু তার মাকে আর্থিক সহায়তা করে। পরে রাশেদ ও লিমুর বাসায় ভিকটিম রাশেদা আকতারকে গৃহকর্মী হিসাবে কাজে দেওয়া হয়। লিমু এ রাশেদ ভিকটিম রাশেদা আকতার কে অপহরন করেন। পরবর্তীতে অনুসন্ধানকালে প্রমাণিত হয় যে, হোসনে আরা বেগম রাশেদ ও লিমুকে মিথ্যা অপহরন মামলা দিয়ে টাকা আদায়ের জন্য বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) ৭/৩০ সায়ের করে। তৎপ্রেক্ষিতে পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো হতে বিজ্ঞ নারী ও শিল্প নির্যাতন দমন – চট্টগ্রাगा गा মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। বিজ্ঞ আদালত প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করেন ভিকটিম রাশেদা আকতারকে দিয়ে ভিক্ষা বৃত্তি পেশায় জড়ানোর জন্য তার মা হোসনে আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশু আইন ২০১৩ এর ৭১ ধারা মোতাবেক এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাদী করে এফআইআর গণ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ওসি, পাঁচলাইশ মডেল থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। তৎমতে এসআই নুরুল আলম মিয়া, পাঁচলাইশ মডেল থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম বাড়ী হন এবং হোসনে আরা বেগমের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানা ০, তারিখ- ১৯ নভেম্বর ২০১২ ধারা- শিশু আইন ২০১৩ এর ৭১ রুজু হয়। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক পুলিশ পরিদর্শক জনাব মর্জিনা আকতার, পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো, চট্টগ্রাম এর উপর মামলার তদন্তভার অর্পন করা হয়।

মামলার তদন্তকালীন সময়ে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মর্জিনা আকতার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো এর আভিযানিক দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইং ১২ মার্চ ২০১৩ রাত অনুমান ২২.০০ ঘটিকার সময় সিএমপি, চট্টগ্রাম আওতাধীন পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন বদনাশাহ মাজার এলাকা হতে অভিযুক্ত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম (৩৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম ০১ জন ধূর্ত প্রকৃতির মহিলা। নিজের গর্ভজাত একমাত্র মেয়েকে দিয়ে তিনি ভিক্ষা করান। ভিক্ষা করাতে গিয়ে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের জন্য সে তার সন্তানের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের সৃষ্টি করে। সন্তানকে দিয়ে ভিক্ষা করানোর মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে তিনি জুয়া তথা ছক্কা খেলেন। এছাড়াও তার মেয়ে ভিকটিম রাশেদা আকতারকে গৃহকর্মীর কাজ দিয়ে পরবর্তীতে গৃহের মালিকদের অহেতুক হয়রানী করে টাকা আদায়ের জন্য সে মিথ্যা মামলার নায়ের করে। ধৃত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম কে ইং ১৩/০৩/২০২৩ তারিখ বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রামে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি তদন্তাধীন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

“পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো কর্তৃক শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত মহিলা আসামী গ্রেফতার”

প্রকাশিত : ০৭:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

পিবিআই প্রধান, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বনজ কুমার মজুমদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট প্রধান পুলিশ সুপার জনাব নাইমা সুলতানা, পিপিএম-সেবা’র নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) জনাব মর্জিনা আকতার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পিবিআই চাট্টগ্রাম মেট্রো এর আভিযানিক দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার করেন।

১২ মার্চ রবিবার রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় সিএমপি, চট্টগ্রাম আওতাধীন পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন বদনাশাহ মাজার এলাকা হতে অভিযুক্ত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম (৩৮), পিতা- মৃত আব্দুল খালেক ভূঁইয়া, মাতা- মৃত মরিয়ম বেগম, সাং- রাঙ্গামাটি, আর্মি ক্যান্টনমেন্ট এর জলযানঘাট, থানা-সদর, জেলা- রাঙ্গামাটি, স্বামীর ঠিকানা- চর নটয়া, হানিফ মেমানোর বাড়ী, থানা- সুধারাম, জেলা- নোয়াখালী, বর্তমানে- ষোলশহর রেল স্টেশন, খালেকের কলোনীর ১নং রামের ভাড়াটিয়া আইডি কলোনী, থানা- পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম কে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৭ এপ্রিল ২০১২ সালেধৃত মহিলা আসানী হোসনে আরা বেগম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ০৭ চট্টগ্রামে জনৈক মোঃ রাশেদ, লিমু সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে তার মেয়ে রাশেদা আকতার (১১) কে জোরপূর্বক অপহরন করেছে মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন । উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নং-১১৮/২০২২, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ( /০৩) ৭/৩০ রুজু হয়। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি অনুসন্ধান পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর উপর দায়িত্বভার অর্পন করেন। পিবিআই গ্রা মেট্রোর উপ-পুলিশ পরিদর্শক জনাব জাহেদুজ্জামান চৌধুরী বর্ণিত নারী ও মাটি অনুসন্ধানকালে কথিত ভিকটিম রাশেদা আকতার (১১) কে উদ্ধার পূর্বক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদানের জন্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করেন। কথিত ভিকটিম রাশেদা আকতার বিজ্ঞ আদালতে তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করে যে, সে কানাশাহ মাজারের সামনে ভিক্ষা করত। তার মা হোসনে আরা বেগম পলিথিন দিয়ে তার পা পুঁড়ে দিত। পোঁড়া পা দেখিয়ে মানুষের নিকট হতে ভিক্ষা করে টাকা সংগ্রহ করত। ভিক্ষায় সংগৃহীত টাকা দিয়ে হোসনে আরা। বেগম হুন্ডা খেলত। ভিকটিম রাশেদা আকতার এর ছোট ভাই এক্সিডেন্ট করে পা ভেঙ্গে ফেলায় তার চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন হয়। তখন রাশেদ ও লিমু তার মাকে আর্থিক সহায়তা করে। পরে রাশেদ ও লিমুর বাসায় ভিকটিম রাশেদা আকতারকে গৃহকর্মী হিসাবে কাজে দেওয়া হয়। লিমু এ রাশেদ ভিকটিম রাশেদা আকতার কে অপহরন করেন। পরবর্তীতে অনুসন্ধানকালে প্রমাণিত হয় যে, হোসনে আরা বেগম রাশেদ ও লিমুকে মিথ্যা অপহরন মামলা দিয়ে টাকা আদায়ের জন্য বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) ৭/৩০ সায়ের করে। তৎপ্রেক্ষিতে পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো হতে বিজ্ঞ নারী ও শিল্প নির্যাতন দমন – চট্টগ্রাगा गा মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। বিজ্ঞ আদালত প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করেন ভিকটিম রাশেদা আকতারকে দিয়ে ভিক্ষা বৃত্তি পেশায় জড়ানোর জন্য তার মা হোসনে আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশু আইন ২০১৩ এর ৭১ ধারা মোতাবেক এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাদী করে এফআইআর গণ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ওসি, পাঁচলাইশ মডেল থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। তৎমতে এসআই নুরুল আলম মিয়া, পাঁচলাইশ মডেল থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম বাড়ী হন এবং হোসনে আরা বেগমের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানা ০, তারিখ- ১৯ নভেম্বর ২০১২ ধারা- শিশু আইন ২০১৩ এর ৭১ রুজু হয়। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক পুলিশ পরিদর্শক জনাব মর্জিনা আকতার, পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো, চট্টগ্রাম এর উপর মামলার তদন্তভার অর্পন করা হয়।

মামলার তদন্তকালীন সময়ে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মর্জিনা আকতার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো এর আভিযানিক দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইং ১২ মার্চ ২০১৩ রাত অনুমান ২২.০০ ঘটিকার সময় সিএমপি, চট্টগ্রাম আওতাধীন পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন বদনাশাহ মাজার এলাকা হতে অভিযুক্ত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম (৩৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম ০১ জন ধূর্ত প্রকৃতির মহিলা। নিজের গর্ভজাত একমাত্র মেয়েকে দিয়ে তিনি ভিক্ষা করান। ভিক্ষা করাতে গিয়ে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের জন্য সে তার সন্তানের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের সৃষ্টি করে। সন্তানকে দিয়ে ভিক্ষা করানোর মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে তিনি জুয়া তথা ছক্কা খেলেন। এছাড়াও তার মেয়ে ভিকটিম রাশেদা আকতারকে গৃহকর্মীর কাজ দিয়ে পরবর্তীতে গৃহের মালিকদের অহেতুক হয়রানী করে টাকা আদায়ের জন্য সে মিথ্যা মামলার নায়ের করে। ধৃত মহিলা আসামী হোসনে আরা বেগম কে ইং ১৩/০৩/২০২৩ তারিখ বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রামে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি তদন্তাধীন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ