দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুদক কর্মকর্তারা ‘ফাঁদ’ পদ্ধতির মাধ্যমে বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় থানায়। এসব মামলায় অনেকে এখনও কারাগারেই আছেন বলে জানা গেছে।
গত ৬ এপ্রিল ২৩ ইং বিসিক শিল্পনগরী,শরীয়তপুরস্থ মেসার্স ঢালী মিনারেল ওয়াটার,প্লট নং এ-৭ জমির পরিমান ৪৫০০ বর্গফুট প্লটটি বাতিল করা হলে বিসিক প্লট বরাদ্দ নীতিমালা ২০১০ অনুযায়ী প্লট বাতিলাদেশ প্রত্যাহার করার জন্য বিসিক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন।
বিসিক শিল্পনগরী,শরীয়তপুরস্থ মেসার্স ঢালী মিনারেল ওয়াটার, প্লট নং এ-০৭,জমির পরিমান ৪৫০০ বর্গফুট এর খাত পরিবর্তন সাপেক্ষে উৎপাদন যাওয়ার শর্তে প্লট বাতিলাদেশ প্রত্যাহার করা হবে মর্মে মেসার্স ঢালী মিনারেল ওয়াটার,প্রোপাইটারকে জানানো হয়।
অভিযোগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগকারী এসকেন্দার ঢালী এর বিসিক শিল্পনগরী শরীয়তপুরস্থ মেসার্স ঢালী মিনারেল ওয়াটার এর নাম ও উপ খাত পরিবর্তনের জন্য আবেদনটি বিসিক চেয়ারম্যান এর অফিসে ফরওয়ার্ড / অগ্রায়ন করার জন্য অনৈতিকভাবে ১,২৫,০০০ টাকার ঘুষ দাবি। দাবিকৃত ঘুষের ৫০,০০০/- গ্রহণের সময় হাতেনাতে আটক করা হয় প্রতারক মোঃ মনির হোসেনকে।
অভিযোগকারীর ভুক্তভোগী এসকেন্দার ঢালী,শরীয়তপুর।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রতারক মোঃ মনির হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপক, বিসিক জেলা কার্যালয়, শরীয়তপুর।
ঘটনারস্থল উপ-ব্যবস্থাপক এর কার্যালয়, বিসিক জেলা কার্যালয়, শরীয়তপুর। যে কার্যালয় থেকে ফাঁদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছেঃ দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, মাদারীপুর।
পুরো অভিযান পরিচালনা করেন আখতারুজ্জামান, সহকারী পরিচালক,দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, মাদারীপুর। অভিযান তত্ত্বাবধানে ছিলেন মোঃ আতিকুর রহমান, উপপরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয় মাদারীপুর।
উক্ত আবেদনটি আসামী মোহাম্মদ মনির হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপক, বিসিক জেলা কার্যালয়, শরীয়তপুর বিসিক চেয়ারম্যান এর অফিসে ফরওয়ার্ড / অগ্রায়ন করার জন্য অনৈতিকভাবে ১,২৫,০০০ টাকার ঘুষ দাবি। এর মধ্যে ঘুষের ৫০,০০০/- গ্রহণের সময় হাতেনাতে আটক করে দুর্নীতি দমন কমিশনের ফাঁদ পরিচালনাকারী টিম। দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয় মাদারীপুর (শরীয়তপুর) মামলা নং: ০১ তারিখ: ৬-৪-২০২৩ খ্রি:
দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদক সচিব মাহবুব হোসেন জানান,দুদক নিজে থেকে কাউকে লোভে ফেলে কিংবা ঘুষ দেওয়ার ফাঁদে ফেলে গ্রেফতার করে না কিংবা ফাঁদ তৈরি করে না। যদি কারও কাছে কেউ ঘুষ চায় আর ওই ব্যক্তি যদি দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, তখন দুদক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দুদক স্বপ্রণোদিত হয়ে কিছু করে না বলে ও জানান তিনি।


























