১০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

হাতিয়া উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৬০টি ব্যারাক হাউজ হস্তান্তর করলো বাংলাদেশ নৌবাহিনী

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় গৃহহীন ও ছিন্নমূল জনগণের জন্য নির্মিত ৬০টি পাকা ব্যারাক ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী এই ব্যারাক হাউজসমূহ নির্মাণ করে। প্রতিটি ব্যারাকে পাঁচটি করে মোট ৩০০টি ইউনিট রয়েছে যেখানে প্রতিটিতে একটি করে পরিবার থাকতে পারবে। প্রতিটি ব্যারাকে পৃথক রান্নাঘর ও বাথরুমের সুবিধা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ হতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এবং উপজেলা কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ কায়সার খসরু আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর নির্মিত আবাসন ব্যারাকগুলো বুঝে নেন। এ সময় নৌবাহিনীর প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উলে­খ্য, এর আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কক্সবাজার জেলায় সর্বমোট ২২৩টি প্রকল্পে ৪,১৫৭টি ব্যারাক হাউজ নির্মাণ শেষে স্থানীয় প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করে নৌবাহিনী। এসকল ব্যারাকে আশ্রয় পেয়েছে ৩২,১৪৫টি গৃহহীন পরিবার। এছাড়া, বর্তমানে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল অধীনস্থ ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় এবং চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলায় ব্যারাক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, যা শেষ হলে আরও ১,২০০ ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত হবে।

শেষ হলে আরও ১,২০০ ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

হাতিয়া উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৬০টি ব্যারাক হাউজ হস্তান্তর করলো বাংলাদেশ নৌবাহিনী

প্রকাশিত : ০৫:৫১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় গৃহহীন ও ছিন্নমূল জনগণের জন্য নির্মিত ৬০টি পাকা ব্যারাক ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী এই ব্যারাক হাউজসমূহ নির্মাণ করে। প্রতিটি ব্যারাকে পাঁচটি করে মোট ৩০০টি ইউনিট রয়েছে যেখানে প্রতিটিতে একটি করে পরিবার থাকতে পারবে। প্রতিটি ব্যারাকে পৃথক রান্নাঘর ও বাথরুমের সুবিধা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ হতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এবং উপজেলা কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ কায়সার খসরু আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর নির্মিত আবাসন ব্যারাকগুলো বুঝে নেন। এ সময় নৌবাহিনীর প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উলে­খ্য, এর আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কক্সবাজার জেলায় সর্বমোট ২২৩টি প্রকল্পে ৪,১৫৭টি ব্যারাক হাউজ নির্মাণ শেষে স্থানীয় প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করে নৌবাহিনী। এসকল ব্যারাকে আশ্রয় পেয়েছে ৩২,১৪৫টি গৃহহীন পরিবার। এছাড়া, বর্তমানে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল অধীনস্থ ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় এবং চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলায় ব্যারাক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, যা শেষ হলে আরও ১,২০০ ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত হবে।

শেষ হলে আরও ১,২০০ ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ