চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২য় তলায় পুরুষ ওয়ার্ডের বারান্দায় রাতের অন্ধকারে মোবাইল লাইট দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে দেখা যাচ্ছে একজন নার্সকে।হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী বৃদ্ধি কারণে বারান্দার থেকে শুরু করে সিড়ির রুম পর্যন্ত ফাঁকা নেই।
আনোয়ারা উপজেলায় বিভিন্ন শিল্পকারখানা স্থাপিত হাওয়ার পর থেকে চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি। এছাড়া বাঁশখালী, চন্দনাইশ,আনোয়ারা বিভিন্ন ইউনিয়নের অসুস্থ রোগীদের একমাত্র সম্বল হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি।উপজেলা অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতি হলে চিকিৎসা ক্ষেতে এখনো অবহেলিত বলে জানা যায়। ৩১ শয্যার উক্ত হাসপাতালটি ২০০৬ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।তবে প্রতিদিন রোগী ভর্তি থাকে শতাধিক।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে ৮ রাত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বারান্দার থেকে শুরু করে সিড়ির রুম পর্যন্ত ফাঁকা নেই রোগীদের জন্য। হাসপাতালে ২য় তলায় সিডি রুমে থেকে সোজা পুরুষ ওয়ার্ডের সামনে দেখা যাচ্ছে ঘন অন্ধকারে ২ জন লোক মোবাইল লাইট দিয়ে আলো দিচ্ছে বারান্দায় মেঝেতে অসুস্থ এক রোগীকে।সেই রোগীকে একজন নার্স স্যালাইন দিচ্ছে।হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে অতিরিক্ত রোগী চাপ চিকিৎসক ও জনবল সংকটের সত্যতা পাওয়া যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মধ্যে রাতের অতিরিক্ত রোগীদের মাঝে শুধু মাত্র দু’জন নার্স রয়েছে। এছাড়া জরুরি বিভাগে রয়েছে একজন ডাক্তার। তারা সকল রোগীদের সেবা দিতে নানার সমস্যা সম্মুখীন হতে দেখা যাচ্ছে।
হাসপাতালে সূত্রে নার্সে সংখ্যা সম্পর্কে জানা যায়, এসএসসি ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রের হেল্প টিমে জন্য ২০ জন নার্স মধ্যে ৮ জন নার্স পাঠানো হয়েছে।সকালে আউটডোরে এএনসি-পিএনসিতে ২ জন।এমসিডিতে ১ জন, আইভিশনের আছে ২ জন নার্স।আইএমসিতে ১ জন,লেবার রুমে ১ জন,অপারেশনের ছুটি আছে একজন নার্স।ঈদের সময় দায়িত্ব রইলো কিছু নার্স ছুটিতে আছে।
হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী বৃদ্ধি ও শয্যা সংকটের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. মামুনুর রশীদ, হাসপাতালের রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সাধারণ বেডও খালি নেই। ওয়ার্ডের ভেতর জায়গা না পেয়ে রোগীদের বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।অতিরিক্ত রোগীদের মাঝে ২জন নার্সের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এসএসসি পরীক্ষার, ঈদের ছুটি সহ বিভিন্ন সমস্যা জনিত কারণে নার্সের সংখ্যা সংকট। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সমাধানে চেষ্টা করতেছি।পুরুষ ওয়ার্ডের সামনে অন্ধকার মোবাইলের লাইট দিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ের জানতে চাইলে তিনি জানান, ইলেকট্রনিক লাইনটি নষ্ট হয়ে গেছে মনে হয়। ইলেকট্রিশিয়ানকে বলতেছি লাইটটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য।






















