বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা ৩২৩ প্রার্থীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
আগামী রবিবার (২০ মে) ও সোমবার (২১ মে) পদপ্রত্যাশী ৩২৩ জনকে গণভবনে ডাকা হবে। তাদের সাক্ষাৎকার নেয়া শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।
নেতা হিসাবে দায়িত্ব তুলে দেয়ার আগে তাদের রাজনৈতিক মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতার পরীক্ষা নিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা। ফলে চলতি সপ্তাহেও হচ্ছে না ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১১ ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে ২১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। চলতি মাসের ১১ও ১২ তারিখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে নতুন নেতা নির্বাচন করা ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন।
এর আগে তিন দফা ভোটর মাধ্যমে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত হয়। সারাদেশ থেকে আসা কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। তবে গত দুই বার ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হলেও তাদের নিয়ে নানা সমালোচনা হয়। সর্বশেষ দুই বারের কমিটিতে সংগঠনটিতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের বিরুদ্ধে এসব নানা অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীকে হতাশ করেছে। এরই পরিপ্রক্ষিতে সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানান শেখ হাসিনা। তিনি সিলেকশনে নেতা বানানোর সিদ্ধান্ত জানান।
























