১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রটারি জেনারেল আমিনা জে. মোহাম্মদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
রোববার, ২ জুলাই রাতে গণভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, রোহিঙ্গা সংকট, এসডিজি, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

আমিনা জে মোহাম্মদ বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ৫২টি দেশ এখন সংকটের দ্বারপ্রান্তে। আমাদের সম্মিলিতভাবে সংকট মোকাবিলা করতে হবে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক এ সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংকট কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার আন্তর্জাতিক খাদ্য সংকট কাটিয়ে উঠতে যথাসময়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

সংকট নিরসনে অন্যান্য পদক্ষেপের সঙ্গে সরকার সব পতিত জমি চাষের আওতায় আনার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বাড়ির ছাদে খাদ্য ও সবজির চাষের ওপরও গুরত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, তার সরকার কৃষি খাতে গবেষণাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তারা এখন আমাদের জন্য বড় বোঝা হয়ে উঠেছে, সামাজিক সমস্যা তৈরি করেছে।

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রটারি জেনারেল।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেলের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ১০:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রটারি জেনারেল আমিনা জে. মোহাম্মদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
রোববার, ২ জুলাই রাতে গণভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, রোহিঙ্গা সংকট, এসডিজি, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

আমিনা জে মোহাম্মদ বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ৫২টি দেশ এখন সংকটের দ্বারপ্রান্তে। আমাদের সম্মিলিতভাবে সংকট মোকাবিলা করতে হবে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক এ সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংকট কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার আন্তর্জাতিক খাদ্য সংকট কাটিয়ে উঠতে যথাসময়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

সংকট নিরসনে অন্যান্য পদক্ষেপের সঙ্গে সরকার সব পতিত জমি চাষের আওতায় আনার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বাড়ির ছাদে খাদ্য ও সবজির চাষের ওপরও গুরত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, তার সরকার কৃষি খাতে গবেষণাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তারা এখন আমাদের জন্য বড় বোঝা হয়ে উঠেছে, সামাজিক সমস্যা তৈরি করেছে।

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রটারি জেনারেল।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব