১২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজাকারের পুত্র বধূ এমপি শিউলি আজাদকে সংসদ থেকে অপসারণে দাবি করছে রফিক উদ্দিন ঠাকুর

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম কুশীলব তাহের উদ্দিন ঠাকুরের বিশ্বস্থ সহযোগী ও তৎকালীন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক’র পুত্রবধূ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদকে জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে অপসারণের দাবি করছে সরাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

রবিবার দুপুরে সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে উচালিয়া পাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধনে হাজারো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর এক সমাবেশের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন,

তিনি বলেন, এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সরকার এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে আজকে রাজাকারের পুত্র বধূ আটজন মুক্তিযুদ্ধাকে আসামি করেছে। তাঁর শশুর আব্দুল খালেক রাজাকারের তালিকায় ১শত ২৪ নম্বরে আছে। আমরা সংসদ থেকে প্রধানমন্ত্রী মাধ্যমে তাঁর অপসারণ দাবি করছি।

রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি এ.কে.এম ইকবাল আজাদকে একদল দুষ্কৃতিকারী নির্মম ভাবে হত্যা করে। আমরা সবাই এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। তবে একটি মহল সরাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ শুন্য করতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের এ হত্যা মামলায় জড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা মামলার পুনঃ তদন্ত করে নির্দোষদের মুক্তির পাশাপাশি হত্যাকান্ডের সাথে প্রকৃত জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সে সাথে গত মাসে জাতীয় সংসদে ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) ওই হত্যাকান্ডের সাথে আমাদেরকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঠাকুর রাব্বি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী, উপজেলা সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন আনু, উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল আসাদ সিজার ও যুবলীগ নেতা মফিজুল ইসলাম রনিসহ উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুণীজনের অবমূল্যায়ন ও রাজনীতির সাংস্কৃতিক সংকট

রাজাকারের পুত্র বধূ এমপি শিউলি আজাদকে সংসদ থেকে অপসারণে দাবি করছে রফিক উদ্দিন ঠাকুর

প্রকাশিত : ০৫:০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম কুশীলব তাহের উদ্দিন ঠাকুরের বিশ্বস্থ সহযোগী ও তৎকালীন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক’র পুত্রবধূ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদকে জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে অপসারণের দাবি করছে সরাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

রবিবার দুপুরে সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে উচালিয়া পাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধনে হাজারো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর এক সমাবেশের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন,

তিনি বলেন, এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সরকার এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে আজকে রাজাকারের পুত্র বধূ আটজন মুক্তিযুদ্ধাকে আসামি করেছে। তাঁর শশুর আব্দুল খালেক রাজাকারের তালিকায় ১শত ২৪ নম্বরে আছে। আমরা সংসদ থেকে প্রধানমন্ত্রী মাধ্যমে তাঁর অপসারণ দাবি করছি।

রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি এ.কে.এম ইকবাল আজাদকে একদল দুষ্কৃতিকারী নির্মম ভাবে হত্যা করে। আমরা সবাই এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। তবে একটি মহল সরাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ শুন্য করতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের এ হত্যা মামলায় জড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা মামলার পুনঃ তদন্ত করে নির্দোষদের মুক্তির পাশাপাশি হত্যাকান্ডের সাথে প্রকৃত জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সে সাথে গত মাসে জাতীয় সংসদে ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) ওই হত্যাকান্ডের সাথে আমাদেরকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঠাকুর রাব্বি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী, উপজেলা সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন আনু, উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল আসাদ সিজার ও যুবলীগ নেতা মফিজুল ইসলাম রনিসহ উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh