১০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুবিতে সাংবাদিক বহিষ্কারে চবিসাসের নিন্দা

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রতিনিধি ও কুবি সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক রুদ্র ইকবালকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস)।

বুধবার (২ আগস্ট) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে চবিসাস সভাপতি মাহবুব এ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম ইমু এ প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে গত ৩১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠানে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন দুর্নীতির বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে দেশে দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন হচ্ছে না। কিন্তু আমি বলব উল্টো কথা। দেশে দুর্নীতি হচ্ছে বলেই উন্নতি হচ্ছে।’ পরে উপাচার্যকে উদ্ধৃত করে দৈনিক যায়যায়দিনে সংবাদ প্রকাশ করেন ইকবাল। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ এনে সাংবাদিক রুদ্র ইকবালকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে চবি সাংবাদিক সমিতির নেতারা বলেন, কোনও ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূতভাবে বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে কুবি প্রশাসন। সাংবাদিকতার টুটি চেপে ধরতেই প্রশাসন এ ধরনের ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ঘটনার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

অবিলম্বে ওই সাংবাদিকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তার স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিরাপদ সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান চবিসাস নেতৃবৃন্দ।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় পেলেন বামপন্থি সেগুরো

কুবিতে সাংবাদিক বহিষ্কারে চবিসাসের নিন্দা

প্রকাশিত : ০৪:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রতিনিধি ও কুবি সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক রুদ্র ইকবালকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস)।

বুধবার (২ আগস্ট) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে চবিসাস সভাপতি মাহবুব এ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম ইমু এ প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে গত ৩১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠানে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন দুর্নীতির বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে দেশে দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন হচ্ছে না। কিন্তু আমি বলব উল্টো কথা। দেশে দুর্নীতি হচ্ছে বলেই উন্নতি হচ্ছে।’ পরে উপাচার্যকে উদ্ধৃত করে দৈনিক যায়যায়দিনে সংবাদ প্রকাশ করেন ইকবাল। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ এনে সাংবাদিক রুদ্র ইকবালকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে চবি সাংবাদিক সমিতির নেতারা বলেন, কোনও ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূতভাবে বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে কুবি প্রশাসন। সাংবাদিকতার টুটি চেপে ধরতেই প্রশাসন এ ধরনের ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ঘটনার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

অবিলম্বে ওই সাংবাদিকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তার স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিরাপদ সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান চবিসাস নেতৃবৃন্দ।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh