০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত ভারত-চীন

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত হয়েছে ভারত ও চীন। বুধবার ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে এই বিষয়ে একমত হন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতীয় এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোদির অনুরোধেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়ে বলে দাবি করেছে চীন। গত তিন বছর ধরে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক। হিমালয় অঞ্চলে দুই দেশের মধ্য ৩৪৪০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে।

বুধবার ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে বসেন মোদি ও শি জিনপিং। বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কাত্রা বলেন, দুই পক্ষই সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমানোর ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।

তিনি বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত-চীন সম্পর্ক স্বাভাবিক করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

এই বিষয়ে দুই নেতা তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশ দেওয়ার ব্যাপারেও একমত।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দুই নেতা আকস্মিক এক বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশ ও তাদের জনগণের স্বার্থে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত-চীনের সুসম্পর্ক জরুরি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশই তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে সীমান্ত সংকট সমাধান করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা উচিত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতার বৈঠকের সময় কোনো দোভাষী কিংবা অনকেউ উপস্থিত ছিলেন না।

সর্বশেষ ২০২২ সালে জি২০ সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও শি। আগামী ৯-১০ সেপ্টেম্বরে জি২০ সম্মেলনে ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে চীনা প্রেসিডেন্টের।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত ভারত-চীন

প্রকাশিত : ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত হয়েছে ভারত ও চীন। বুধবার ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে এই বিষয়ে একমত হন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতীয় এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোদির অনুরোধেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়ে বলে দাবি করেছে চীন। গত তিন বছর ধরে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক। হিমালয় অঞ্চলে দুই দেশের মধ্য ৩৪৪০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে।

বুধবার ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে বসেন মোদি ও শি জিনপিং। বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কাত্রা বলেন, দুই পক্ষই সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমানোর ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।

তিনি বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত-চীন সম্পর্ক স্বাভাবিক করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

এই বিষয়ে দুই নেতা তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশ দেওয়ার ব্যাপারেও একমত।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দুই নেতা আকস্মিক এক বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশ ও তাদের জনগণের স্বার্থে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত-চীনের সুসম্পর্ক জরুরি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশই তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে সীমান্ত সংকট সমাধান করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা উচিত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতার বৈঠকের সময় কোনো দোভাষী কিংবা অনকেউ উপস্থিত ছিলেন না।

সর্বশেষ ২০২২ সালে জি২০ সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও শি। আগামী ৯-১০ সেপ্টেম্বরে জি২০ সম্মেলনে ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে চীনা প্রেসিডেন্টের।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে