০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

কেরানীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রকৌশলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩

ঢাকার কেরানীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রকৌশলী সদরুল আলম হত্যায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ । গ্রেফতারকৃতরা হলো, ১। আল-আমিন৷ ২৷ রিমন ৩৷ শুভ৷ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর ) ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার রহস্যের উন্মোচন ও আসামিদের গ্রেফতার কথা বলে হয়েছে৷

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, আসাদুজ্জামান, বলেন, ১৩/০৮/২৩ সকালে ৯৯৯ মাধ্যমে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের আরশিনগর থেকে প্রকৌশল সদরুল আলমের লাশ উদ্ধার করে৷ হত্যার রহস্য উদঘাটনে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার একটি আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে গত ০৩/০৯/২০ তারিখে আল আমিন কে আরশিনগর এলাকা হতে তার পকেটে থাকা একটি সুইচ গিয়ার চাকুসহ গ্রেফতার করে। আল-আমিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় সে একজন পেশাদার চোর, প্রতিদিন রাতে মোহাম্মদপুর থানাধীন লাউতলা এলাকা হতে তার বন্ধু শুভ ও রিমনসহ একটি ভ্যানযোগে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসা-বাড়ি ও বিভিন্ন অফিসে ঢুকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে।

গ্রেফতারকৃত আল-আমিন ও তার দুই বন্ধু ১০ বছর ধরে বিভিন্ন বাসা বাড়ির ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে চুরি করে আসছে। আল-আমিনের দেওয়া তথ্য মতে মোহাম্মদপুর থেকে শুভকে ভ্যানসহ গ্রেফতার করা হয়।মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান থেকে আরেক সহযোগী মোঃ রিমন কে ও গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিমন ও শুভ জানায় ঘটনার দিন শুভ পায়ে চালিত ভ্যানটি চালিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে তিন জন কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আরশিনগর এলাকায় এসে চুরি করার জন্য পাশাপাশি বিল্ডিং আছে সিকিওরিটি গার্ড নাই এমন বাসা খুজতে থাকে৷

তাদের চোখে ইউনুস মিয়ার বাড়িটিকে সুবিধাজনক বলে মনে হয়। বাসার পিছন দিকের সরু রাস্তা দিয়ে আল-আমিন ও শুভ দুই বিল্ডিং এর মাঝামাঝি আসলে শুভ আল আমিনকে ধাক্কা দিয়ে বিল্ডিং এর সানসেট তুলে দেয় এবং আল-আমিন উপরে গেলে নিচে শুভ অপেক্ষা করতে থাকে। এভাবে ৩০/৪০ মিনিট পার হলে আল-আমিন উপর থেকে নিচে নেমে হাপাঁতে হাপাঁতে শুভকে বলতে থাকে দ্রুত পালাতে হবে । বাসার ভেন্টিলেটর দিয়ে ভিতরে ডুকেছিলাম তখন বাসার মালিক ঘুম থেকে উঠে আমাকে ধরে ফেলে আমি পালানোর জন্য তাকে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে দুইবার পাঁড় দিছি বাসার ভিতরে আমি কিছু পাইনি। তারা তিনজন একত্রে দ্রুত পালিয়ে মোহাম্মদপুর চলে যায়। গ্রেফতারকৃত বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে৷

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

কেরানীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রকৌশলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত : ০৮:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঢাকার কেরানীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রকৌশলী সদরুল আলম হত্যায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ । গ্রেফতারকৃতরা হলো, ১। আল-আমিন৷ ২৷ রিমন ৩৷ শুভ৷ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর ) ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার রহস্যের উন্মোচন ও আসামিদের গ্রেফতার কথা বলে হয়েছে৷

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, আসাদুজ্জামান, বলেন, ১৩/০৮/২৩ সকালে ৯৯৯ মাধ্যমে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের আরশিনগর থেকে প্রকৌশল সদরুল আলমের লাশ উদ্ধার করে৷ হত্যার রহস্য উদঘাটনে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার একটি আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে গত ০৩/০৯/২০ তারিখে আল আমিন কে আরশিনগর এলাকা হতে তার পকেটে থাকা একটি সুইচ গিয়ার চাকুসহ গ্রেফতার করে। আল-আমিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় সে একজন পেশাদার চোর, প্রতিদিন রাতে মোহাম্মদপুর থানাধীন লাউতলা এলাকা হতে তার বন্ধু শুভ ও রিমনসহ একটি ভ্যানযোগে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসা-বাড়ি ও বিভিন্ন অফিসে ঢুকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে।

গ্রেফতারকৃত আল-আমিন ও তার দুই বন্ধু ১০ বছর ধরে বিভিন্ন বাসা বাড়ির ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে চুরি করে আসছে। আল-আমিনের দেওয়া তথ্য মতে মোহাম্মদপুর থেকে শুভকে ভ্যানসহ গ্রেফতার করা হয়।মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান থেকে আরেক সহযোগী মোঃ রিমন কে ও গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিমন ও শুভ জানায় ঘটনার দিন শুভ পায়ে চালিত ভ্যানটি চালিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে তিন জন কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আরশিনগর এলাকায় এসে চুরি করার জন্য পাশাপাশি বিল্ডিং আছে সিকিওরিটি গার্ড নাই এমন বাসা খুজতে থাকে৷

তাদের চোখে ইউনুস মিয়ার বাড়িটিকে সুবিধাজনক বলে মনে হয়। বাসার পিছন দিকের সরু রাস্তা দিয়ে আল-আমিন ও শুভ দুই বিল্ডিং এর মাঝামাঝি আসলে শুভ আল আমিনকে ধাক্কা দিয়ে বিল্ডিং এর সানসেট তুলে দেয় এবং আল-আমিন উপরে গেলে নিচে শুভ অপেক্ষা করতে থাকে। এভাবে ৩০/৪০ মিনিট পার হলে আল-আমিন উপর থেকে নিচে নেমে হাপাঁতে হাপাঁতে শুভকে বলতে থাকে দ্রুত পালাতে হবে । বাসার ভেন্টিলেটর দিয়ে ভিতরে ডুকেছিলাম তখন বাসার মালিক ঘুম থেকে উঠে আমাকে ধরে ফেলে আমি পালানোর জন্য তাকে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে দুইবার পাঁড় দিছি বাসার ভিতরে আমি কিছু পাইনি। তারা তিনজন একত্রে দ্রুত পালিয়ে মোহাম্মদপুর চলে যায়। গ্রেফতারকৃত বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে৷

বিজনেস বাংলাদেশ/bh