০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সমন্বিত কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে একটি কার্যকর কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থা বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একটি সমন্বিত ও সুষম কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরে সহায়তা করবে।

সোমবার (২৮ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ”স্কিলস্-২১: এম্পাওয়ারিং সিটিজেনস্ ফর ইনক্লুসিভ এন্ড সাসটেইনেবল গ্রোথ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর অর্থায়নে শিক্ষা কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা এবং আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে স্কিলস্-২১ প্রকল্প মূল্যবান অবদান রাখবে। কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি, কাজের সুযোগ তৈরি এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিকিউএফ) চালু করা হবে, যা দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। ২০০৯ সালে মাত্র একভাগ শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করত। বর্তমানে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দেশে প্রায় ৭ হাজার ৭০০ সরকারি-বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ১৪ ভাগের বেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে এবং ২০৩০ সালে শতকরা ৩০ ভাগে উন্নীত করা হবে। সরকার টেকসই উন্নয়নের জন্য অর্ন্তভূক্তিমূলক ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের কারিগরি শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে। আমরা নতুন করে নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সিঙ্গাপুর ও চীনে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাল মানের শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে দেশে একটি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তিনি আরো বলেন,শুধু ডিগ্রী অর্জন করলেই হবে না। দক্ষতা অর্জনের জন্য পড়াশুনা করতে হবে। তিনি কারিগরি শিক্ষা গ্রহনে ছেলেমেয়েদের উৎসাহিত করতে মেধবাসীর প্রতি আহবান জানান।

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

সমন্বিত কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে একটি কার্যকর কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থা বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একটি সমন্বিত ও সুষম কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরে সহায়তা করবে।

সোমবার (২৮ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ”স্কিলস্-২১: এম্পাওয়ারিং সিটিজেনস্ ফর ইনক্লুসিভ এন্ড সাসটেইনেবল গ্রোথ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর অর্থায়নে শিক্ষা কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা এবং আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে স্কিলস্-২১ প্রকল্প মূল্যবান অবদান রাখবে। কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি, কাজের সুযোগ তৈরি এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিকিউএফ) চালু করা হবে, যা দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। ২০০৯ সালে মাত্র একভাগ শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করত। বর্তমানে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দেশে প্রায় ৭ হাজার ৭০০ সরকারি-বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ১৪ ভাগের বেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে এবং ২০৩০ সালে শতকরা ৩০ ভাগে উন্নীত করা হবে। সরকার টেকসই উন্নয়নের জন্য অর্ন্তভূক্তিমূলক ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের কারিগরি শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে। আমরা নতুন করে নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সিঙ্গাপুর ও চীনে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাল মানের শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে দেশে একটি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তিনি আরো বলেন,শুধু ডিগ্রী অর্জন করলেই হবে না। দক্ষতা অর্জনের জন্য পড়াশুনা করতে হবে। তিনি কারিগরি শিক্ষা গ্রহনে ছেলেমেয়েদের উৎসাহিত করতে মেধবাসীর প্রতি আহবান জানান।