০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি প্রমাণিত, ব্যবস্থা নিচ্ছে না এলজিইডি কর্তৃপক্ষ এ যেন “সরিষার মধ্যেই ভূত” !

সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও এলজিইডি থেকে তদন্ত করে দুর্নীতির প্রমাণ পায় অথচ নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আজও ব্যবস্থা নিচ্ছে না এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। এ যেন সরিষার মধ্যেই ভূত!
জানা যায়, গত অর্থবছরে নির্বাহী প্রকৌশলীর অদক্ষতায় ২৭ কোটি টাকা উন্নয়ন বঞ্চিত হয় সিরাজগঞ্জবাসী। এছাড়া খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে স্বাক্ষর ও ভুয়া মাষ্টার রোল বানিয়ে কয়েক কোটি টাকা উত্তোলন এবং জেলার একাধিক রাস্তায় নিম্ন মানের কাজ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন ছাড়াই কোটি কোটি টাকার বিল প্রদানে অনিয়ম করে নির্বাহী প্রকৌশলী।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে টাকা উত্তোলনে নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ পায় তদন্ত কমিটি এছাড়া গত ১৭ জুলাই দুদক আঞ্চলিক পাবনা অফিসও সরজমিনে তদন্তে অনিয়ম পায়। যা দুদকের মামলা অনুমোদন জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্তে ২৫ সেপ্টেম্বর তাড়াশ বারুহাস ও তাড়াশ কুন্দাইল রাস্তায় ১২ কোটি টাকার কাজের তদন্তে অনিয়মের নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ প্রমাণ পায়, তদন্ত কর্মকর্তারা। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিলেও আজও প্রতিবেদন উর্ধ্বতন অফিসে জমা দেয়নি পাবনা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নবীউল ইসলাম।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নবীউল ইসলামের সঙ্গে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কয়েকটি তদন্তের মধ্যে একটি রাস্তার তদন্ত জমা দেওয়া হচ্ছে। আর ভদ্রাবতী খালের পুনঃ তদন্ত আগামী সপ্তাহে করা হবে।

ঠিকাদার কবির তালুকদার জানান, নির্বাহী প্রকৌশলীর মামা হচ্ছে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী। এ কথাই তো নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম বলে বেড়াচ্ছে। তিনি আরও জানান, গত ৫২ দিনেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি নবীউল ইসলাম। তার সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীর গোপন আঁতাত আছে কিনা সন্দেহান। নবিউল ইসলামের অতীত রেকর্ডও ভালো না। তার নামেও হয়েছিল মামলা।

রাজশাহী আঞ্চলিক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, তদন্ত প্রতিবেদন আমার অফিসে জমা হয়নি।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আলী আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

দুর্নীতি প্রমাণিত, ব্যবস্থা নিচ্ছে না এলজিইডি কর্তৃপক্ষ এ যেন “সরিষার মধ্যেই ভূত” !

প্রকাশিত : ০৪:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও এলজিইডি থেকে তদন্ত করে দুর্নীতির প্রমাণ পায় অথচ নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আজও ব্যবস্থা নিচ্ছে না এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। এ যেন সরিষার মধ্যেই ভূত!
জানা যায়, গত অর্থবছরে নির্বাহী প্রকৌশলীর অদক্ষতায় ২৭ কোটি টাকা উন্নয়ন বঞ্চিত হয় সিরাজগঞ্জবাসী। এছাড়া খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে স্বাক্ষর ও ভুয়া মাষ্টার রোল বানিয়ে কয়েক কোটি টাকা উত্তোলন এবং জেলার একাধিক রাস্তায় নিম্ন মানের কাজ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন ছাড়াই কোটি কোটি টাকার বিল প্রদানে অনিয়ম করে নির্বাহী প্রকৌশলী।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে টাকা উত্তোলনে নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ পায় তদন্ত কমিটি এছাড়া গত ১৭ জুলাই দুদক আঞ্চলিক পাবনা অফিসও সরজমিনে তদন্তে অনিয়ম পায়। যা দুদকের মামলা অনুমোদন জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্তে ২৫ সেপ্টেম্বর তাড়াশ বারুহাস ও তাড়াশ কুন্দাইল রাস্তায় ১২ কোটি টাকার কাজের তদন্তে অনিয়মের নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ প্রমাণ পায়, তদন্ত কর্মকর্তারা। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিলেও আজও প্রতিবেদন উর্ধ্বতন অফিসে জমা দেয়নি পাবনা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নবীউল ইসলাম।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নবীউল ইসলামের সঙ্গে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কয়েকটি তদন্তের মধ্যে একটি রাস্তার তদন্ত জমা দেওয়া হচ্ছে। আর ভদ্রাবতী খালের পুনঃ তদন্ত আগামী সপ্তাহে করা হবে।

ঠিকাদার কবির তালুকদার জানান, নির্বাহী প্রকৌশলীর মামা হচ্ছে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী। এ কথাই তো নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম বলে বেড়াচ্ছে। তিনি আরও জানান, গত ৫২ দিনেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি নবীউল ইসলাম। তার সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীর গোপন আঁতাত আছে কিনা সন্দেহান। নবিউল ইসলামের অতীত রেকর্ডও ভালো না। তার নামেও হয়েছিল মামলা।

রাজশাহী আঞ্চলিক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, তদন্ত প্রতিবেদন আমার অফিসে জমা হয়নি।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আলী আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh