০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

শেরপুরে ১৮০দিনে ৭ বছরের শিশু কোরআনের হাফেজ

 শেরপুরের নকলায়(১৮০দিনে) মাত্র ৬ মাসে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কোরআন মুখস্ত  করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে ৭ বছর বয়সী শিশু মো.মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনী।৬ নভেম্বর বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের  নিজ কার্যালয়ে ডেকে এনে তাকে উদ্দীপনা পুরষ্কার হিসেবে নগদ অর্থ উপহার দিয়েছেন নকলার ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন।
ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন ওয়াছকুরুনীর তেলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে বলেন, ” ৭ বছরের ছোট্ট একটি শিশুর পক্ষে মাত্র ৬ মাসে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ মহাগ্রন্থ আল কুরআন মুখস্থ করা সত্যিই বিস্ময়কর। একমাত্র মহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতের বদৌলতেই তা সম্ভব। আমি হাফেজ ওয়াছকুরুনীর উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।”
এসময় হাফেজ মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনীর মা সুরাইয়া বেগম, নকলা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি আনসারুল্লাহ, ওয়াছকুরুনীর আত্বিও হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলীমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, নকলা উপজেলার পৌর এলাকার উত্তর কায়দা গ্রামের মৃত হাবিব মিয়া ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে  সবার ছোট সন্তান মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনী। মাত্র ২ বছর বয়সেই তার বাবা মারা যান। ওয়াছকুরুনী ২০২২ সালে এক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে (পাঁচ পারা ‘ক’ গ্রুপ) বিভাগীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
শিশু হাফেজ মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনীর  মা সুরাইয়া বেগম, মাহদী জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। সে যেন দ্বীনের পথে থেকে আল্লাহ হুকুম আহকাম পালন করে চলতে পারেন
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শেরপুরে ১৮০দিনে ৭ বছরের শিশু কোরআনের হাফেজ

প্রকাশিত : ০৭:২৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩
 শেরপুরের নকলায়(১৮০দিনে) মাত্র ৬ মাসে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কোরআন মুখস্ত  করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে ৭ বছর বয়সী শিশু মো.মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনী।৬ নভেম্বর বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের  নিজ কার্যালয়ে ডেকে এনে তাকে উদ্দীপনা পুরষ্কার হিসেবে নগদ অর্থ উপহার দিয়েছেন নকলার ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন।
ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন ওয়াছকুরুনীর তেলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে বলেন, ” ৭ বছরের ছোট্ট একটি শিশুর পক্ষে মাত্র ৬ মাসে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ মহাগ্রন্থ আল কুরআন মুখস্থ করা সত্যিই বিস্ময়কর। একমাত্র মহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতের বদৌলতেই তা সম্ভব। আমি হাফেজ ওয়াছকুরুনীর উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।”
এসময় হাফেজ মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনীর মা সুরাইয়া বেগম, নকলা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি আনসারুল্লাহ, ওয়াছকুরুনীর আত্বিও হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলীমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, নকলা উপজেলার পৌর এলাকার উত্তর কায়দা গ্রামের মৃত হাবিব মিয়া ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে  সবার ছোট সন্তান মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনী। মাত্র ২ বছর বয়সেই তার বাবা মারা যান। ওয়াছকুরুনী ২০২২ সালে এক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে (পাঁচ পারা ‘ক’ গ্রুপ) বিভাগীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
শিশু হাফেজ মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনীর  মা সুরাইয়া বেগম, মাহদী জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। সে যেন দ্বীনের পথে থেকে আল্লাহ হুকুম আহকাম পালন করে চলতে পারেন