০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কুমিল্লায় পানিতে ডুবে ৩ বোনের মৃত্যু

কুমিল্লার মুরাদনগরে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই বোনসহ একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের বাশকাইট গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলো- বাশকাইট পশ্চিমপাড়া এলাকার আলম মেম্বার বাড়ির সালাম মিয়ার মেয়ে আমেনা (১২) ও সামিয়া (৬) এবং সালাম মিয়ার ছোট ভাই কাউসারের মেয়ে সাদিয়া (৭)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবাস চন্দ্র ধর।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আমেনা এবং সামিয়া আপন বোন। আর সাদিয়া তাদের আপন চাচতো বোন। বুধবার দুপুরে আলম বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যায় তিন শিশু। অনেক সময় পার হয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজ করতে নামে। পরে পুকুরে অনেকক্ষণ তল্লাশি করে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে পালস পরীক্ষা করে তাদের মৃত ঘোষণা করেন ক্লিনিকের চিকিৎসক। এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ওসি প্রবাস চন্দ্র ধর বলেন, এ ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারকে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় পানিতে ডুবে ৩ বোনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৭:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩

কুমিল্লার মুরাদনগরে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই বোনসহ একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের বাশকাইট গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলো- বাশকাইট পশ্চিমপাড়া এলাকার আলম মেম্বার বাড়ির সালাম মিয়ার মেয়ে আমেনা (১২) ও সামিয়া (৬) এবং সালাম মিয়ার ছোট ভাই কাউসারের মেয়ে সাদিয়া (৭)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবাস চন্দ্র ধর।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আমেনা এবং সামিয়া আপন বোন। আর সাদিয়া তাদের আপন চাচতো বোন। বুধবার দুপুরে আলম বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যায় তিন শিশু। অনেক সময় পার হয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজ করতে নামে। পরে পুকুরে অনেকক্ষণ তল্লাশি করে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে পালস পরীক্ষা করে তাদের মৃত ঘোষণা করেন ক্লিনিকের চিকিৎসক। এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ওসি প্রবাস চন্দ্র ধর বলেন, এ ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারকে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।