বরিশালে ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভা সফল করার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে বরিশাল ক্লাবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ সভা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ১০ লাখ লোকের জমায়েত হবে বলে আশা করছেন নেতা-কর্মীরা।
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বরিশাল-২ আসনের নৌকার প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, ঝালকাঠী ১ আসনের নৌকার প্রার্থী ব্যরিস্টার শাহজাহান ওমর (বীরউত্তম) ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত, পিরোজপুর-১ নৌকার প্রার্থী শ ম রেজাউল করিম, পটুয়াখালী-২ আসনের নৌকার প্রার্থী আসম ফিরোজ এমপি, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম), ভোলা-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ প্রমুখ।
এদিকে বরিশাল সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এক সভায় ২৯ ডিসেম্বর জনসভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর থাকা নিয়ে আপত্তি উঠেছে। নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে বর্ধিত সভাও করতে চান না সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারীরা। একই আপত্তি উঠেছে সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়া নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীরকে নিয়ে। সার্কিট হাউসের সভায় মেয়র খোকন ও প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হন।যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক এবং নগর সভাপতি জাহাঙ্গীরের বিষয়ে আপত্তি উঠছে। কেননা, সাদিক নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন এবং জাহাঙ্গীর সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তাঁদের সঙ্গে বর্ধিত সভা কিংবা জনসভায় মঞ্চে থাকার ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করেছেন শীর্ষ নেতারা।






















