১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরের মূত্রনালীতে চার্জার! এরপর…

নিজের যৌনাঙ্গের ব্যাপারে কৌতূহল থেকে একটি ফোনের চার্জারের মাথা কেটে ফেলে এক কিশোর এবং তারটিকে নিজের যৌনাঙ্গের মূত্রনালির ভেতরে ধীরে ধীরে প্রবেশ করায়। সে ২০ সেন্টিমিটার তার প্রবেশ করাতে সক্ষম হয়।

কিন্তু এরপর বের করতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। এ অবস্থায় সে নিজের বাবা-মাকে এ ঘটনা জানায় এবং তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্প্রতি চীনের এমনি এক আশ্চর্যজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা দেখেন, তার যৌনাঙ্গ দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করানো হয়েছে এক ফোনের চার্জার। খবর আইএফএলসায়েন্স।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা তারটিকে লুব্রিকেন্ট দিয়ে পিচ্ছিল করে বের করে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা তো সফল হনইনি, বরং ছেলেটি বেশ ব্যথা পায়। এরপর তাকে হারবিন চিলড্রেন’স হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। সে হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট ড. ঝু লিয়ান আরও কিছু পরীক্ষা করেন।

পরীক্ষার পর জানা যায়, তারটি ওই কিশোরের মূত্রথলির ভেতরে গিয়ে পেঁচিয়ে যায় এবং গিঁট লেগে যায়, এ কারণে টেনে তা বের করা যাচ্ছিল না।

এরপর পরিস্থিতির জটিলতা বুঝতে পেরে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করেন। তারা মূত্রথলি কেটে এর ভেতর থেকে তারের গিঁট লাগা অংশটি অপসারণ করেন। বাকি অংশটি তার মূত্রনালি দিয়েই বের করে আনা হয়। দুই সপ্তাহ হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরে যায় কিশোরটি।

ট্যাগ :

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু

কিশোরের মূত্রনালীতে চার্জার! এরপর…

প্রকাশিত : ০৩:২৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮

নিজের যৌনাঙ্গের ব্যাপারে কৌতূহল থেকে একটি ফোনের চার্জারের মাথা কেটে ফেলে এক কিশোর এবং তারটিকে নিজের যৌনাঙ্গের মূত্রনালির ভেতরে ধীরে ধীরে প্রবেশ করায়। সে ২০ সেন্টিমিটার তার প্রবেশ করাতে সক্ষম হয়।

কিন্তু এরপর বের করতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। এ অবস্থায় সে নিজের বাবা-মাকে এ ঘটনা জানায় এবং তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্প্রতি চীনের এমনি এক আশ্চর্যজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা দেখেন, তার যৌনাঙ্গ দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করানো হয়েছে এক ফোনের চার্জার। খবর আইএফএলসায়েন্স।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা তারটিকে লুব্রিকেন্ট দিয়ে পিচ্ছিল করে বের করে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা তো সফল হনইনি, বরং ছেলেটি বেশ ব্যথা পায়। এরপর তাকে হারবিন চিলড্রেন’স হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। সে হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট ড. ঝু লিয়ান আরও কিছু পরীক্ষা করেন।

পরীক্ষার পর জানা যায়, তারটি ওই কিশোরের মূত্রথলির ভেতরে গিয়ে পেঁচিয়ে যায় এবং গিঁট লেগে যায়, এ কারণে টেনে তা বের করা যাচ্ছিল না।

এরপর পরিস্থিতির জটিলতা বুঝতে পেরে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করেন। তারা মূত্রথলি কেটে এর ভেতর থেকে তারের গিঁট লাগা অংশটি অপসারণ করেন। বাকি অংশটি তার মূত্রনালি দিয়েই বের করে আনা হয়। দুই সপ্তাহ হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরে যায় কিশোরটি।