০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

১৭১ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি লিটনের

মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হওয়ার পর থেকে কিছুটা ধীরগতিতে খেলছিলেন লিটন দাস। ডানহাতি এই ব্যাটার নিজেও জানতেন তিনিই শেষ স্বীকৃত ব্যাটার। তাসকিন আহমেদ ভরসার পাত্র হলেও আজ ছিলেন ব্যর্থ। লিটন খুব একটা ঝুঁকি নেননি। রয়েসয়ে খেলেছেন, ক্র্যাম্পেও ভুগেছেন।

কিন্তু সেখান থেকে উঠে ঠিকই গিয়েছেন ৯৯ পর্যন্ত। এরপর আবার খানিক স্থবিরতা। শেষ পর্যন্ত চার মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করলেন। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ১৭১ বল খেলে পেলেন সেঞ্চুরির দেখা।

২৬ রানে দলের ৫ উইকেট পতনের পর ক্রিজে এসেছিলেন লিটন। দলের সামনে তখন নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার ভয়। সেখান থেকে লিটন খেললেন দারুণ এক ইনিংস। প্রথমে মিরাজকে নিয়ে দলের ওপর থাকা চাপ দূর করেছেন। পার করেছেন ফলো-অন। এরপর দলের স্কোরকে দিয়েছেন সম্মানজনক অবস্থান।

লিটনকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মেহেদি মিরাজ। ৭৮ রান করে ফিরে গেলেও দলকে দেখিয়েছেন পথ। লিটন মাঝে ক্র্যাম্পে পড়লেও ঠিকই উঠে দাঁড়িয়ে খেলেছেন। পেয়েছেন সেঞ্চুরিও। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কক্ষপথে আছে তার ওই দারুণ শতকের সুবাদেই।

এই প্রতিবেদন পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৮ উইকেটে ২১৮ রান। বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে ৫৬ রানে।

এদিনের সেঞ্চুরিতে এক ভিন্ন রকমের রেকর্ডেও নাম উঠেছে লিটনের। ৫০ রানের আগে ৫ উইকেট হারানোর পর ব্যাট করতে নেমে তিনবার সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন। এমন কীর্তি নেই আর কারোরই।

এছাড়া মিরাজের সঙ্গে ১৬৫ রানের জুটিতে বিশ্বরেকর্ডও করেছেন লিটন কুমার দাস। এর আগে ৫০ রানের কমে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটিটা ছিল ১১৫ রানের। ২০০৬ সালে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে প্রথম ৬ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৫ রানের জুটি গড়েন আবদুল রাজ্জাক ও কামরান আকমল।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএফ

জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

১৭১ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি লিটনের

প্রকাশিত : ০৫:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হওয়ার পর থেকে কিছুটা ধীরগতিতে খেলছিলেন লিটন দাস। ডানহাতি এই ব্যাটার নিজেও জানতেন তিনিই শেষ স্বীকৃত ব্যাটার। তাসকিন আহমেদ ভরসার পাত্র হলেও আজ ছিলেন ব্যর্থ। লিটন খুব একটা ঝুঁকি নেননি। রয়েসয়ে খেলেছেন, ক্র্যাম্পেও ভুগেছেন।

কিন্তু সেখান থেকে উঠে ঠিকই গিয়েছেন ৯৯ পর্যন্ত। এরপর আবার খানিক স্থবিরতা। শেষ পর্যন্ত চার মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করলেন। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ১৭১ বল খেলে পেলেন সেঞ্চুরির দেখা।

২৬ রানে দলের ৫ উইকেট পতনের পর ক্রিজে এসেছিলেন লিটন। দলের সামনে তখন নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার ভয়। সেখান থেকে লিটন খেললেন দারুণ এক ইনিংস। প্রথমে মিরাজকে নিয়ে দলের ওপর থাকা চাপ দূর করেছেন। পার করেছেন ফলো-অন। এরপর দলের স্কোরকে দিয়েছেন সম্মানজনক অবস্থান।

লিটনকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মেহেদি মিরাজ। ৭৮ রান করে ফিরে গেলেও দলকে দেখিয়েছেন পথ। লিটন মাঝে ক্র্যাম্পে পড়লেও ঠিকই উঠে দাঁড়িয়ে খেলেছেন। পেয়েছেন সেঞ্চুরিও। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কক্ষপথে আছে তার ওই দারুণ শতকের সুবাদেই।

এই প্রতিবেদন পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৮ উইকেটে ২১৮ রান। বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে ৫৬ রানে।

এদিনের সেঞ্চুরিতে এক ভিন্ন রকমের রেকর্ডেও নাম উঠেছে লিটনের। ৫০ রানের আগে ৫ উইকেট হারানোর পর ব্যাট করতে নেমে তিনবার সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন। এমন কীর্তি নেই আর কারোরই।

এছাড়া মিরাজের সঙ্গে ১৬৫ রানের জুটিতে বিশ্বরেকর্ডও করেছেন লিটন কুমার দাস। এর আগে ৫০ রানের কমে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটিটা ছিল ১১৫ রানের। ২০০৬ সালে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে প্রথম ৬ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৫ রানের জুটি গড়েন আবদুল রাজ্জাক ও কামরান আকমল।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএফ