দিন দিন বেড়েই চলেছে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা, সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় মহাসড়ক থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের সব জায়গায় চলছে এসব রিকশা, জীবিকার তাগিদে বেশিরভাগ মানুষই এখন বেছে নিয়েছে এই পেশা, তবে এই পেশায় নেই প্রকৃত ড্রাইভার। বিভিন্ন পেশা ছেড়ে কোন রকম গাড়ি ম্যানেজ হলেই মহা সড়কে নেমে পড়েছে অটো রিকশা নিয়ে, এসব রিকশা চালকদের কিছু কিছু চালকের অভিজ্ঞতা থাকলেও বেশিরভাগ চালকের অভিজ্ঞতা নাই, চালকের ন্যূনতম অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও মহাসড়কে যত্রতত্র পার্কিং করে একদিকে যানজট সৃষ্টি করছে, অন্য দিকে বাস কার সহ বড় গাড়ি গুলো চলাচলের সময় হুট করে সামনে চলে আসে,যার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
এদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কেও চলছে অটোরিকশা সহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ যানবাহন। মূল সড়কে এসব রিকশার দাপটে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থা। অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও ঝুঁকিপূর্ণ বাহনটি এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ব্যাটারি বা মোটরচালিত রিকশা বা ভ্যান বা অনুরূপ শ্রেণির থ্রি-হুইলার চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিআরটিএর যান্ত্রিক যেকোনো যানবাহন সড়কে চলাচলের জন্য বিআরটিএর লাইসেন্স, রুট পারমিট ও ফিটনেস নিতে হয়।
মহাসড়কে অটো রিকশা গুলো চলাচল নিষেধ তারপরেও কেন যানজট সৃষ্টি করে হাইওয়েতে এ গুলো চালাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে অটো রিকশা চালক বলেন পেটের দায়ে রিকশা চালাতে হচ্ছে, দেশের এমন পরিস্থিতিতে সংসার চালানো অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে,গ্রাম গঞ্জের অলিগলিতে সারাদিন রিকশা চালিয়ে ৩০০ টাকা আয় করাও অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে, যার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটু বেশি ভাড়ার আশায় মহাসড়কে গাড়ি চালাচ্ছি।
এ বিষয়ে কেরানীহাট স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) নুরে-আলম সিদ্দিকী বলেন,যানজট নিরসনে আমরা কাজ করছি, তবে কেরানীহাটে গাড়ি পার্কিংয়ের নিদিষ্ট জায়গা না থাকা এবং রাস্তার দুপাশে অবৈধ ফুটপাতের কারণে যানজট লেগে থাকে, এ ছাড়াও আমাদের জনবল কম রয়েছে, কেরানীহাট স্টেশন একটি বিশাল এরিয়া, আমাদের জনবল বাড়ানো প্রয়োজন, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি, আশা করি কেরানীহাট যানজট মুক্ত হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস























