১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাত দফা দাবিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি

অভিন্ন চাকরি বিধি বাস্তবায়ন, হয়রানি বন্ধ, মামলা প্রত্যাহারসহ সাত দফা দাবিতে জয়পুরহাটে কর্মবিরতি পালন করছেন জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেল ৩ টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।কর্মবিরতি চলাকালে বক্তব্য দেন, জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ এর এজিএম প্রশাসন আল ইমরান, এজিএম আতিকুর রহমান, এজিএম নাজির হোসাইন, জুনিয়র ইন্জিয়ার আব্দুর রহিম ও লাইন টেকনিশিয়ান রেজাউল করিম।

এসময় বক্তারা বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই সাত দফা দাবি আদায় হবে না ততক্ষণ পযন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচী অব্যাহত রাখবো।

সাত দফা দাবিগুলো হলো-
১. পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের ফ্যাসিবাদি কায়দায় দমন-পীড়নের মাধ্যমে কর্মপরিবেশ অস্থিতিশীলকারী, অত্যাচারী আরইবি চেয়ারম্যানের অপসারণ।
২. এক ও অভিন্ন চাকুরিবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরইবি-পরিস একীভূতকরণ অথবা দেশের অন্য বিতরণ সংস্থার ন্যায় পুনর্গঠন।
৩. মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক এবং পৌষা কর্মীদের চাকরি নিয়মিতকরণ।
৪. মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিচ্যুতদের স্বপদে পুনর্বহাল।
৫. গ্রাহক সেবার স্বার্থে লাইনক্রুসহ সকল হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল এবং বরখাস্ত ও সংযুক্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন।
৬. জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা/শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়নের জন্য অতিদ্রুত জনবলের ঘাটতি পূরণ করতে হবে।
৭. পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে

ডিএস..

ট্যাগ :

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান

সাত দফা দাবিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি

প্রকাশিত : ০৬:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

অভিন্ন চাকরি বিধি বাস্তবায়ন, হয়রানি বন্ধ, মামলা প্রত্যাহারসহ সাত দফা দাবিতে জয়পুরহাটে কর্মবিরতি পালন করছেন জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেল ৩ টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।কর্মবিরতি চলাকালে বক্তব্য দেন, জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ এর এজিএম প্রশাসন আল ইমরান, এজিএম আতিকুর রহমান, এজিএম নাজির হোসাইন, জুনিয়র ইন্জিয়ার আব্দুর রহিম ও লাইন টেকনিশিয়ান রেজাউল করিম।

এসময় বক্তারা বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই সাত দফা দাবি আদায় হবে না ততক্ষণ পযন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচী অব্যাহত রাখবো।

সাত দফা দাবিগুলো হলো-
১. পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের ফ্যাসিবাদি কায়দায় দমন-পীড়নের মাধ্যমে কর্মপরিবেশ অস্থিতিশীলকারী, অত্যাচারী আরইবি চেয়ারম্যানের অপসারণ।
২. এক ও অভিন্ন চাকুরিবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরইবি-পরিস একীভূতকরণ অথবা দেশের অন্য বিতরণ সংস্থার ন্যায় পুনর্গঠন।
৩. মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক এবং পৌষা কর্মীদের চাকরি নিয়মিতকরণ।
৪. মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিচ্যুতদের স্বপদে পুনর্বহাল।
৫. গ্রাহক সেবার স্বার্থে লাইনক্রুসহ সকল হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল এবং বরখাস্ত ও সংযুক্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন।
৬. জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা/শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়নের জন্য অতিদ্রুত জনবলের ঘাটতি পূরণ করতে হবে।
৭. পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে

ডিএস..