ছাত্ররাজনীতি থেকে নেতৃত্বের শিখরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন সাহসী, ত্যাগী ও আপসহীন নেতার নাম এস এম জাহাঙ্গীর। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্র রাজনীতি থেকে। ১৯৮৭ সালে তেজগাঁও কলেজের ভিপি নির্বাচিত হয়ে তিনি নেতৃত্বের প্রথম আসনে আসীন হন। শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায়, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় এবং সাধারণ ছাত্রদের ন্যায্য দাবি আদায়ে তিনি ছিলেন এক অগ্রণী কণ্ঠস্বর।
ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যুক্ত হন। একে একে ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সততা, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছাত্রদলের প্রতিটি পদে তিনি সফলতা দেখান।
ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের কারণে এস এম জাহাঙ্গীর দ্রুত যুব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। তিনি হন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তার সংগঠন পরিচালনার দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়।
পরে তিনি কেন্দ্রীয় যুবদলের প্রচার সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি, এবং অবশেষে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিটি পদে থেকেই তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার এক শক্তিশালী মেরুদণ্ড।
বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানায় দলকে সংগঠিত করতে তার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
দমন-নিপীড়নের শিকার, তবুও আপসহীন এস এম জাহাঙ্গীরের রাজনৈতিক জীবন কেবল নেতৃত্ব ও সাফল্যের ইতিহাস নয়, বরং দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের গল্পও। গত হাসিনা সরকারের সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়। তাকে বারবার গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি করা হয়েছে।
রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি বহুবার হামলার শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি কখনো ভেঙে পড়েননি, দমে যাননি। বরং এসব দমন-পীড়ন তাকে আরও দৃঢ় ও অটল করেছে। তার সংগ্রামী নেতৃত্ব নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং আন্দোলনে সাহস যুগিয়েছে।
জনগণের আস্থাভাজন এস এম জাহাঙ্গীর কেবল একজন রাজনৈতিক সংগঠক নন, তিনি জনগণের বন্ধু। করোনা মহামারীতে তিনি নিজ হাতে খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বন্যা ও দুর্যোগকালে অসহায় মানুষের পাশে ছুটে গেছেন।
দরিদ্র পরিবারের সহযোগিতা,অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা সব ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন। তার মানবিক কর্মকাণ্ড তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন সত্যিকারের জননেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ছাত্রদল থেকে যুবদল, আর সেখান থেকে বিএনপির মূল নেতৃত্ব এস এম জাহাঙ্গীরের রাজনৈতিক যাত্রা দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি একাধারে ত্যাগী, আপসহীন, সাহসী, সৎ, মানবিক, সংগঠক ও দূরদর্শী নেতা।
ঢাকা-১৮ আসনের নেতাকর্মীরা তাকে দেখছেন একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে। তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই, জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং আন্দোলনে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে এ আসনে সবচেয়ে আলোচিত মনোনয়নপ্রত্যাশী করেছে।
এস এম জাহাঙ্গীর বিশ্বাস করেন“রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতায় যাওয়া নয়, রাজনীতি মানে জনগণের দুঃখ-দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়ানো।
ঢাকা-১৮ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তিনি অঙ্গীকার করেছেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবেন জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবেন,অবিচার ও দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন এবং সবসময় থাকবেন অসহায় মানুষের পাশে।
তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে কেবল একটি পদে বহাললি নন, তিনি নেতাকর্মীদের কাছে সাহসের প্রতীক এবং জনগণের কাছে আশার আলো।
ডিএস./


























