০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

কঙ্গোতে পৃথক নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৩

কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ দুটি নৌদুর্ঘটনায় অন্তত ১৯৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, দেশটির একুয়াটর প্রদেশে বুধবার ও বৃহস্পতিবার, প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে আলাদা দুটি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ডিআরসির মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লুকোলেলা এলাকায় কঙ্গো নদীতে যাত্রীবোঝাই একটি বড় নৌকা (হোয়েলবোট) আগুন ধরে যায় এবং পরে ডুবে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহত হন ১০৭ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনার পর ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৪৬ জন।

এর আগের দিন বুধবার, একুয়াটর প্রদেশের বাসানকুসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা ডুবে যায়। এতে কমপক্ষে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের সংখ্যার সঠিক হিসাব এখনও জানা যায়নি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবারের দুর্ঘটনা ঘটেছে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও রাতের অন্ধকারে নৌযান চালানোর কারণে। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, গ্রামবাসীরা নদীর তীরে লাশ জড়ো করে শোক প্রকাশ করছেন। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি সংগঠন দুর্ঘটনার জন্য সরকারকেই দায়ী করে বলেছে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি।

নৌবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরাও অংশ নেন উদ্ধারকাজে। আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের সহায়তা এবং জীবিতদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডিএস,.

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

কঙ্গোতে পৃথক নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৩

প্রকাশিত : ১২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ দুটি নৌদুর্ঘটনায় অন্তত ১৯৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, দেশটির একুয়াটর প্রদেশে বুধবার ও বৃহস্পতিবার, প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে আলাদা দুটি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ডিআরসির মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লুকোলেলা এলাকায় কঙ্গো নদীতে যাত্রীবোঝাই একটি বড় নৌকা (হোয়েলবোট) আগুন ধরে যায় এবং পরে ডুবে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহত হন ১০৭ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনার পর ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৪৬ জন।

এর আগের দিন বুধবার, একুয়াটর প্রদেশের বাসানকুসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা ডুবে যায়। এতে কমপক্ষে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের সংখ্যার সঠিক হিসাব এখনও জানা যায়নি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবারের দুর্ঘটনা ঘটেছে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও রাতের অন্ধকারে নৌযান চালানোর কারণে। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, গ্রামবাসীরা নদীর তীরে লাশ জড়ো করে শোক প্রকাশ করছেন। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি সংগঠন দুর্ঘটনার জন্য সরকারকেই দায়ী করে বলেছে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি।

নৌবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরাও অংশ নেন উদ্ধারকাজে। আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের সহায়তা এবং জীবিতদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডিএস,.