০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

৪৪ নং সনমান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

শতবর্ষের গৌরবময় পথচলা পূর্ণ করল ৪৪ নং সনমান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার শত বছর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা বেগমের নেতৃত্বে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া র‌্যালিতে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিদ্যালয় ঘিরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রাঙ্গণেই র‌্যালি শেষ হয়। শিক্ষার্থীদের স্লোগান ও উদ্দীপনায় চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফজিলা ইয়াসমিন বলেন, “এই বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয় এটি এলাকার স্বপ্ন ও আলোর ঠিকানা।” অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক রোকসানা বেগম, আজমিনা খাতুন, নুরজাহান আক্তার রত্না, শায়লা শারমিন, গোলাম হোসেন, মফিজুল ইসলাম, অ্যাডহক কমিটির সদস্য সাইমুম ইসলাম এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার ও খাদিমুন্নাহারসহ বিপুলসংখ্যক অভিভাবক।

পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান, নৃত্য ও আবৃত্তি নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অভিভাবকদের মুখে ফুটে ওঠে গর্বের ছাপ।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা বেগম বলেন, “১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় শত বছরের যাত্রায় প্রজন্মকে আলোকিত করেছে। ভবিষ্যতেও আধুনিক ও মানবিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শিক্ষকরা জানান, মানসম্মত শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক চর্চা আরও শক্তিশালী করা হবে। অভিভাবকরা বলেন, এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষালাভ করে বহু শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত।

শতবর্ষ উদযাপন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়, এবং নতুন শতকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে উৎসবটি শেষ হয়।

ডিএস/

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

৪৪ নং সনমান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

প্রকাশিত : ০৫:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

শতবর্ষের গৌরবময় পথচলা পূর্ণ করল ৪৪ নং সনমান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার শত বছর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা বেগমের নেতৃত্বে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া র‌্যালিতে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিদ্যালয় ঘিরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রাঙ্গণেই র‌্যালি শেষ হয়। শিক্ষার্থীদের স্লোগান ও উদ্দীপনায় চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফজিলা ইয়াসমিন বলেন, “এই বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয় এটি এলাকার স্বপ্ন ও আলোর ঠিকানা।” অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক রোকসানা বেগম, আজমিনা খাতুন, নুরজাহান আক্তার রত্না, শায়লা শারমিন, গোলাম হোসেন, মফিজুল ইসলাম, অ্যাডহক কমিটির সদস্য সাইমুম ইসলাম এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার ও খাদিমুন্নাহারসহ বিপুলসংখ্যক অভিভাবক।

পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান, নৃত্য ও আবৃত্তি নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অভিভাবকদের মুখে ফুটে ওঠে গর্বের ছাপ।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা বেগম বলেন, “১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় শত বছরের যাত্রায় প্রজন্মকে আলোকিত করেছে। ভবিষ্যতেও আধুনিক ও মানবিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শিক্ষকরা জানান, মানসম্মত শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক চর্চা আরও শক্তিশালী করা হবে। অভিভাবকরা বলেন, এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষালাভ করে বহু শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত।

শতবর্ষ উদযাপন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়, এবং নতুন শতকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে উৎসবটি শেষ হয়।

ডিএস/