বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন মুহূর্ত আসে, যখন সাধারণ মানুষ নতুন আশা আর উদ্দীপনা অনুভব করে। আমরা এখন ঠিক এমনই এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বিনয়ী, সরল ও প্রজ্ঞাপূর্ণ নেতৃত্ব দেশের মানুষের মনে নতুন আস্থা সৃষ্টি করেছে। মানুষ তাঁকে শুধু নেতা হিসেবে নয়, বরং আশা ও স্বপ্নের প্রতীক হিসেবেও দেখছে।
দেশে ফেরার পরই তিনি ঘোষণা করেছিলেন: “I have a plan for the people of this country.”এই সরল অথচ শক্তিশালী কথাটি দেশের মানুষের মনে আলো জ্বেলে দিয়েছে। তার পরিকল্পনার মূল বিষয়গুলো হলো:
• পরিবারের জন্য সুবিধা: ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি পরিবারের জন্য ২,০০০–২,৫০০ টাকার আর্থিক বা খাদ্য সুবিধা।
• কৃষক সহায়তা: কৃষক কার্ডে সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সুবিধা, কৃষি ভর্তুকি।
• শিক্ষা: ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্যাব নীতি।
• স্বাস্থ্য: ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, যার ৮০% নারী।
• খেলাধুলা: চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক খেলাধুলা এবং নতুন ২০টি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
• পরিবেশ সংরক্ষণ: নদী-খাল খনন ও ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ।
• দুর্নীতি দমন ও সামাজিক সুরক্ষা: সুশাসন ও দুর্নীতি হ্রাসের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।

তার দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট: দেশের পররাষ্ট্র নীতি হবে “সবার আগে বাংলাদেশ”। এই পরিকল্পনাগুলো শুধু প্রতিশ্রুতি নয়; এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানে মনোনিবেশ করছে।
দেশজুড়ে মানুষ তার উষ্ণ এবং মানবিক আচরণ, প্রজ্ঞা এবং দৃঢ়তা দেখে উচ্ছ্বসিত। মানুষ বলছে:
“অনেক বছর পর শহীদ জিয়ার মতো একজন দেশপ্রেমিক নেতা পেলাম, যাকে আমরা বিশ্বাস করতে পারি।”
এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক সমর্থন নয়; এটি জনগণের আশা, ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন।

বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখায়, মানুষ উন্নয়নমুখী, দায়িত্বশীল এবং দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের অপেক্ষায়। তারেক রহমানের পরিকল্পনা ও মানবিক নেতৃত্ব সেই প্রত্যাশার সঙ্গে মিলেছে। আগামী দিনে যদি জনগণ তাঁকে নেতৃত্বে দেখে, তবে এটি কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তন নয় – বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার সূচনা।
লেখক: খন্দকার মারুফ হোসেন (এডভোকেট) আপিল বিভাগ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ডিএস./


























