০৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
যশোরে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত

৩৩.৯২ কোটি টাকার উইকেয়ার প্রকল্পের সড়ক উদ্বোধন

আজ শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) দুপুরে যশোরের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজ করতে বাস্তবায়িত ওয়েস্টার্ন ইকনোমিক করিডোর অ্যান্ড রিজিওনাল এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (উইকেয়ার) ফেজ-১ এর আওতায় নির্মিত চুড়ামনকাঠি জিসি-কায়েমকোলা জিসি ভায়া বাগডাঙ্গা, ঝাউদিয়া বাজার ও চান্দুটিয়া সড়কের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন এবং এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান। এছাড়া বিএনপি নেতা গোলাম রেজা দুলুসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ১১ দশমিক ৩৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৯৮ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৯৪ শতাংশ। কাজ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুন।সড়কটির মধ্যে ৫৮০ মিটার আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া একটি ১৫ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু, একটি ২ মিটার ২ মিটার বক্স কালভার্ট, সাতটি ১ মিটার ১ মিটার বক্স কালভার্ট, মোট ১ হাজার ৫৬ মিটার প্রতিরক্ষামূলক কাজ, ৯৬০ মিটার ড্রেন ও ফুটপাত, ২৬ হাজার ৭০০টি সিসি ব্লক স্থাপন এবং ৪ হাজার ৫০০টি গাছ রোপণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন উইকেয়ার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজ করা, স্থানীয় বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের সঙ্গে মহাসড়কের সংযোগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমবে, পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাবে এবং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ধর্মঘট বাস্তবায়নের লক্ষে দিনাজপুরে ডাকঘর কর্মচারীদের আলোচনা ও র‌্যালী

যশোরে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত

৩৩.৯২ কোটি টাকার উইকেয়ার প্রকল্পের সড়ক উদ্বোধন

প্রকাশিত : ০৪:২৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

আজ শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) দুপুরে যশোরের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজ করতে বাস্তবায়িত ওয়েস্টার্ন ইকনোমিক করিডোর অ্যান্ড রিজিওনাল এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (উইকেয়ার) ফেজ-১ এর আওতায় নির্মিত চুড়ামনকাঠি জিসি-কায়েমকোলা জিসি ভায়া বাগডাঙ্গা, ঝাউদিয়া বাজার ও চান্দুটিয়া সড়কের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন এবং এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান। এছাড়া বিএনপি নেতা গোলাম রেজা দুলুসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ১১ দশমিক ৩৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৯৮ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৯৪ শতাংশ। কাজ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুন।সড়কটির মধ্যে ৫৮০ মিটার আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া একটি ১৫ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু, একটি ২ মিটার ২ মিটার বক্স কালভার্ট, সাতটি ১ মিটার ১ মিটার বক্স কালভার্ট, মোট ১ হাজার ৫৬ মিটার প্রতিরক্ষামূলক কাজ, ৯৬০ মিটার ড্রেন ও ফুটপাত, ২৬ হাজার ৭০০টি সিসি ব্লক স্থাপন এবং ৪ হাজার ৫০০টি গাছ রোপণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন উইকেয়ার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজ করা, স্থানীয় বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের সঙ্গে মহাসড়কের সংযোগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমবে, পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাবে এবং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ডিএস./