নওগাঁর পোরশায় এইচএসসি (সমমান) পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে মূল পরীক্ষার্থী ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) পোরশা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত এইচএসসি (সমমান) পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। দায়িত্বরত শিক্ষকের সন্দেহ হলে এক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান (২১), পিতা: মো. রেজাউল সরদার, গ্রাম: বারিন্দা, থানা: পোরশা, জেলা: নওগাঁর পরিবর্তে বিপ্লব বর্মন (২০), পিতা: সময় বর্মন, গ্রাম: দেওনাপাড়া, থানা: পোরশা, জেলা: নওগাঁ প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হলে প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে মূল পরীক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসানকে কেন্দ্রে ডেকে এনে তাকেও আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উভয়কে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত মামলা নং-৯৬ ও ৯৭-এ পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ধারা ১৩-এর ৩(ক) অনুযায়ী প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
প্রশাসন জানিয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রক্সি পরীক্ষা, জালিয়াতি ও অসদুপায় অবলম্বনের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি বর্তমানে পোরশা থানা হেফাজতে রয়েছেন।
ডিএস./



















