দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে পারলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন জেএমআই গ্রুপের এমডি মো. আবদুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জেএমআই গ্রুপ ঐক্যবদ্ধ সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি-হানাহানি, যুদ্ধ-বিগ্রহ এবং অশান্তিমুক্ত বিশ্বসমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশবাসীর পাশেই রয়েছে। আমরা মনে করি, শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল উৎস হচ্ছে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেয়ার সংগ্রামে শরীক হওয়া।

আজ শুক্রবার সকালে বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে ভিআইপি লাউঞ্চে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনের মূল বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২১শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস। তারা এক দশক ধরেই বিশেষ এই দিনটিকে অর্থবহ ও তাৎপর্য মন্ডিত করার লক্ষ্যে র্যালি আয়োজন করছেন।
তিনি জানান, সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানবতার সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ জনমত সৃষ্টির প্রয়োজনে তাদের এই আয়োজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেএমআই চেয়ারম্যান জাবেদ ইকবাল পাঠানসহ উধ্বর্তন কর্মকর্তরা।

সংবাদ সম্মেলন পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ব শান্তি দিবসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেএমআই গ্রুপে প্রতিষ্ঠাতা ও এমডি মো. আব্দুর রাজ্জাক।
পরে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে দোয়েল চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে এসব কমসূচি পালন করে জেএমআই গ্রুপ।
উল্লেখ্য, জাপান, কোরিয়া, চীন, তুরস্ক ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট ভেঞ্চারে প্রতিষ্ঠিত জেএমআই গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহ উৎপাদিত বিশ্বমানের বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী মেডিকেল ডিভাইসেস এবং ওষুধ বিপণনের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে।


























