০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

উড়ন্ত সূচনার পরেও ভারতকে ২২৩ রানের টার্গেট টাইগারদের

১৪ তম এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাশ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত সূচনায় ১৭.৫ ওভারেই দলীয় শতক তুলে নেয় টাইগাররা। এই দুই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো শুরুতে মাত্র ৭.৪ ওভারেই দলীয় ৫০ রান স্পর্শ করে টাইগাররা। এমন উড়ন্ত সূচনার পরেও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৪৮.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সামনে ২২৩ রানের টার্গেট দাড় করালো টাইগাররা।

তবে এদিন ভারতীয় বোলারদের ওপর ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে লিটন দাশ ৩৩ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা পান। এ সময় তিনি ৬টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান। এরপর লিটন তার ক্যারিয়ারের প্রথম শতক করে ফেলেন। ৮৭ বলে সেঞ্চুরির দেখান পান তিনি। ১১৭ বলে ১২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২১ রান করেন আউট হিন লিটন। যদিও কুলদিপ যাদবের বলে মাহেন্দ্র সিং ধোনির স্ট্যাম্পিংটা বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

দলীয় ১২০ রানের মাথায় বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। ২১ তম ওভারে নিজের প্রথম ওভারে মেহেদি মিরাজকে সাজঘরে পাঠান কেদার যাদব। আউট হবার আগে মিরাজ ৫৯ বলে ৩২ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৩ চারের মার। মিরাজের আউটের পর লিটন দাসকে সঙ্গ দিতে আসেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু তিনি ১২ বলে ২ রান করে রানে বিদায় নেন তিনি।

এরপর ক্রিজে আসেন দলের অন্যতম ভরসা মুশফিকুর রহিম। তবে তিনি উইকেটে থিতু হতে পারেননি। মাত্র ৯ বলে ৪ রান করে দলীয় ১৩৭ রানে আউট হয়ে যান তিনি। মুশফিকের বিদায়ের পর মোহম্মদ মিথুনও দ্রুত বিদায় নেন। ব্যক্তিগত ২ রান করে রান আউটের শিকার হন তিনি। এরপর মাহমুদুল্লাহ ৪ রান করে বিদায় নেন। এরপর সৌম্য-লিটন ৩৭ রানের জুটি গড়েন।

দলীয় ১৮৭ রানে লিটনের বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক মাশরাফি। লিটনের বিদায়ের পর খুব দ্রুতই আউট হন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। কুলদিপের তৃতীয় শিকার হয়ে ৯ বলে ৭ করে সেই ধোনির কাছেই স্ট্যাম্পিং হন তিনি। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে এরপরের লড়াই সৌম্যের। ব্যক্তিগত ৪৫ বলে ৩৩ রান করে বিদায় নেন সৌম্য। দলের রান তখন ২২২। এরপর মাত্র দুই বল খেলেই ০ রানে আউট হন মোহম্মদ রুবেল। মুস্তাফিজুর ২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ভারতের পক্ষে কুলদীপ যাদব ৩টি, জেদার যাদব ২টি, জসপ্রিত বুমরা ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ১ টি উইকেট নেন।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

উড়ন্ত সূচনার পরেও ভারতকে ২২৩ রানের টার্গেট টাইগারদের

প্রকাশিত : ০৯:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

১৪ তম এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাশ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত সূচনায় ১৭.৫ ওভারেই দলীয় শতক তুলে নেয় টাইগাররা। এই দুই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো শুরুতে মাত্র ৭.৪ ওভারেই দলীয় ৫০ রান স্পর্শ করে টাইগাররা। এমন উড়ন্ত সূচনার পরেও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৪৮.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সামনে ২২৩ রানের টার্গেট দাড় করালো টাইগাররা।

তবে এদিন ভারতীয় বোলারদের ওপর ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে লিটন দাশ ৩৩ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা পান। এ সময় তিনি ৬টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান। এরপর লিটন তার ক্যারিয়ারের প্রথম শতক করে ফেলেন। ৮৭ বলে সেঞ্চুরির দেখান পান তিনি। ১১৭ বলে ১২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২১ রান করেন আউট হিন লিটন। যদিও কুলদিপ যাদবের বলে মাহেন্দ্র সিং ধোনির স্ট্যাম্পিংটা বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

দলীয় ১২০ রানের মাথায় বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। ২১ তম ওভারে নিজের প্রথম ওভারে মেহেদি মিরাজকে সাজঘরে পাঠান কেদার যাদব। আউট হবার আগে মিরাজ ৫৯ বলে ৩২ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৩ চারের মার। মিরাজের আউটের পর লিটন দাসকে সঙ্গ দিতে আসেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু তিনি ১২ বলে ২ রান করে রানে বিদায় নেন তিনি।

এরপর ক্রিজে আসেন দলের অন্যতম ভরসা মুশফিকুর রহিম। তবে তিনি উইকেটে থিতু হতে পারেননি। মাত্র ৯ বলে ৪ রান করে দলীয় ১৩৭ রানে আউট হয়ে যান তিনি। মুশফিকের বিদায়ের পর মোহম্মদ মিথুনও দ্রুত বিদায় নেন। ব্যক্তিগত ২ রান করে রান আউটের শিকার হন তিনি। এরপর মাহমুদুল্লাহ ৪ রান করে বিদায় নেন। এরপর সৌম্য-লিটন ৩৭ রানের জুটি গড়েন।

দলীয় ১৮৭ রানে লিটনের বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক মাশরাফি। লিটনের বিদায়ের পর খুব দ্রুতই আউট হন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। কুলদিপের তৃতীয় শিকার হয়ে ৯ বলে ৭ করে সেই ধোনির কাছেই স্ট্যাম্পিং হন তিনি। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে এরপরের লড়াই সৌম্যের। ব্যক্তিগত ৪৫ বলে ৩৩ রান করে বিদায় নেন সৌম্য। দলের রান তখন ২২২। এরপর মাত্র দুই বল খেলেই ০ রানে আউট হন মোহম্মদ রুবেল। মুস্তাফিজুর ২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ভারতের পক্ষে কুলদীপ যাদব ৩টি, জেদার যাদব ২টি, জসপ্রিত বুমরা ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ১ টি উইকেট নেন।

বিবি/এসআর