১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রিকেটের ৫ স্তম্ভকে ছাড়াই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ!

সাকিব আল হাসানের বিকল্প মানেই একজন বাঁ হাতি স্পিনার ও একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখলে সাকিব দলে না থাকা মানে দলে দু’জনের অন্তর্ভুক্তির টিকিট পাওয়া। এশিয়া কাপে তো তাই দেখা গেল। সাকিবের বদলে দুবাই গেলেন ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস ও বাঁ হাতি স্পিনার নাজমুল অপু। এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে সাকিব-তামিম নেই। তাহলে এবার তাদের বদলে কে?

আঙুলের চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাওয়া সাকিবের পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে থাকছেন না দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। এদেরকে ছাড়াই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দল সাজাতে হচ্ছে নির্বাচকদের। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর দেয়া তথ্যানুযায়ী তিন-চার দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ওয়ানডে সিরিজের দল। ১১ অক্টোবরের মধ্যে দল চূড়ান্ত করার কথা।

এ দিকে সাকিব-তামিম ছাড়াও বাকি তিন সিনিয়র মাশরাফি বিন মর্তুজা, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহীমেরও কমবেশি ইনজুরি রয়েছে। মাশরাফি ভুগছেন ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙুলের সমস্যায়, পাশাপাশি ঊরুতেও রয়েছে চোট। মুশফিকের পাঁজরে ব্যথা পুরনো, মাহমুদুল্লাহরও রয়েছে পাঁজরের ব্যথা।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পাঁচ স্তম্ভ ছাড়াই কী হচ্ছে জাতীয় দল। মিরপুরের আকাশে-বাতাসে তেমন গুঞ্জনই ভাসছে। নতুনদের সুযোগ দেয়া হতে পারে পরীক্ষামূলক। তবে প্রধান নির্বাচক জানালেন, ‘জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ হালকা করে নেয়ার সুযোগ নেই। আমরা সামর্থ্যরে সম্ভাব্য সেরা দল নিয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করব। কাজেই কাউকে বিশ্রাম দেয়ার প্রশ্ন অবান্তর।’

এশিয়া কাপে তামিম-সাকিবসহ স্কোয়াড ছিল ১৯ জনের। পরে ইনজুরিতে এ দু’জন ছিটকে যাওয়ায় এ সংখ্যা কমে ১৭ তে নেমে আসে। এবার সাকিব-তামিম ছাড়া বাকি তিন স্তম্ভকে দলে প্রাধান্য দিয়ে প্রধান নির্বাচক জানান, ‘আমরা ১৪ জনের দল সাজাতে চাই। তাতে নতুন কারো অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা খুব কম। এশিয়া কাপ স্কোয়াডের বাইরে থাকা কারোর ঢোকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।’

এশিয়া কাপে শেষ মুহূর্তে দলে স্থান পাওয়া ইমরুল ও সৌম্যও থাকতে পারে দলে। রাজশাহীর মিজানুর রহমান মিজান নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। তাকেও আমলে রাখছেন নির্বাচকেরা, ‘আমরা মিজানকে খুটিয়ে দেখব। পাশাপাশি নাজমুল শান্তর সর্বশেষ অবস্থাও পরখ করব। তাই জাতীয় লিগের পরবর্তী পর্বে আমি রাজশাহী যাচ্ছি। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ দেখতে (মিজান ও শান্ত রাজশাহীর হয়ে খেলছেন)।’

মাশরাফি, মুস্তাফিজ, রুবেলের সাথে চতুর্থ পেসার হিসেবে ছিলেন আবু হায়দার রনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে হয়তো দু’জন পেসারও খেলানো হতে পারে। স্পিনার কোটায় মেহেদি মিরাজ ও নাজমুল অপু ছিলেন। চার পেসার ও দুই স্পিনার মিলিয়ে ছয়জন প্রায় নিশ্চিত। ব্যাটসম্যান হিসেবে লিটন দাস নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেছেন। মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ এবং হাফ সেঞ্চুরি করা মোহাম্মদ মিঠুনও থাকবেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে।

এই চারজনের বাইরে নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুমিনুল হক, আরিফুল হক, ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার। এদের মাঝে দু’জনকে বাইরে থাকতে হবে। তন্মধ্যে শান্ত, সৈকত ও মুমিনুলের মাঝে যেকোনো দু’জন থাকতে পারেন বাইরে। কারণটা হলো এশিয়া কাপে তাদের পারফরম্যান্স মোটেই সুবিধার ছিল না।

সৌম্য ফাইনালে সুযোগ পেয়ে তেমন কিছু করতে না পারলেও শেষ দিকে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। দেশে ফিরে জাতীয় লিগে সেঞ্চুরিও করেছেন সৌম্য। তাই ইমরুল-সৌম্য প্রায় নিশ্চিত। তা ছাড়া সৌম্যের ফলাফল যাই থাক না কেন ভাগ্যই তাকে জায়গা করে দেয় জাতীয় দলে।

ইনজুরি থাকবেই এবং আপনাকে এটা নিয়েই খেলতে হবে : মাহমুদুল্লাহ

ইনজুরির কারণে নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ। হাতের ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে থাকতে হতে পারে সাকিবকে।

হাতের ইনজুরির কারণে সাকিবকে অন্তত তিন মাস প্রতিযোগিতামুলক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে সফরে আসবে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ দুটি সিরিজ।

ইতোপূর্বে ইনজুরির কারণে কারণে সাকিবের অনুপস্থিতিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ ছাড়া গত মার্চে শ্রীলংকায় নিদাহাস ট্রফিতেও সাকিবের অনুপস্থিতে শেষ দিকে টাইগার দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ।

মাহমুদুল্লাহ আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং কাজ হওয়ায় আমি সব সময়ই নেতৃত্ব দেয়া উপভোগ করে আসছি এবং একই সময়ে এটা অনেক সম্মানের বিষয়ও।’

তিনি আরো বলেন,‘ আমি সব সময়ই এ জন্য (অধিনায়কত্ব) প্রস্তুত এবং এমন দায়িত্ব পেলে আমি সে জন্য প্রস্তুত।’

সাকিব ছাড়া তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমেরও দলের সিনিয়র ও তারকা খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে থাকায় কিছুটা চিন্তিত বাংলাদেশ শিবির। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হাতে আঘাত পান তামিম এবং পাঁজরের সমস্যা রয়েছে মুশফিকের। মাহমুদুল্লাহ নিজেও পিঠে আঘাত থেকে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি। তবে সিরিজের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার আশা প্রকার করেন মাহমুদুল্লাহ।

দলের সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডজ সফরে পিঠে আঘাত পান মাহমুদুল্লাহ। তবে এরপর তিনি ক্যারিবিয়ার প্রিমিয়ার লীগ ও এশিয়া কাপ খেলেছেন। এশিয়া কাপে আঘাতটা আবার জেগে উঠলে বর্তমানে তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।

মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘ইনজুরি থাকবেই এবং আপনাকে এটা নিয়েই খেলতে হবে। হতে পারে ধারাবাহিকভাবে ক্রিকেট খেলতে থাকলে এ সমস্যা আরো বড় হতে পারে- যেমনটা এখন আমি পাঁজরে ব্যথা অনুভব করছি।’

তিনি আরো বলেন,‘ এই মুহূর্তে আমি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি এবং বিশ্রামে আছি। আশা করছি যথা সময়ে সুস্থ হয়ে উঠব।’

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

ক্রিকেটের ৫ স্তম্ভকে ছাড়াই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ!

প্রকাশিত : ১২:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

সাকিব আল হাসানের বিকল্প মানেই একজন বাঁ হাতি স্পিনার ও একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখলে সাকিব দলে না থাকা মানে দলে দু’জনের অন্তর্ভুক্তির টিকিট পাওয়া। এশিয়া কাপে তো তাই দেখা গেল। সাকিবের বদলে দুবাই গেলেন ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস ও বাঁ হাতি স্পিনার নাজমুল অপু। এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে সাকিব-তামিম নেই। তাহলে এবার তাদের বদলে কে?

আঙুলের চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাওয়া সাকিবের পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে থাকছেন না দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। এদেরকে ছাড়াই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দল সাজাতে হচ্ছে নির্বাচকদের। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর দেয়া তথ্যানুযায়ী তিন-চার দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ওয়ানডে সিরিজের দল। ১১ অক্টোবরের মধ্যে দল চূড়ান্ত করার কথা।

এ দিকে সাকিব-তামিম ছাড়াও বাকি তিন সিনিয়র মাশরাফি বিন মর্তুজা, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহীমেরও কমবেশি ইনজুরি রয়েছে। মাশরাফি ভুগছেন ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙুলের সমস্যায়, পাশাপাশি ঊরুতেও রয়েছে চোট। মুশফিকের পাঁজরে ব্যথা পুরনো, মাহমুদুল্লাহরও রয়েছে পাঁজরের ব্যথা।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পাঁচ স্তম্ভ ছাড়াই কী হচ্ছে জাতীয় দল। মিরপুরের আকাশে-বাতাসে তেমন গুঞ্জনই ভাসছে। নতুনদের সুযোগ দেয়া হতে পারে পরীক্ষামূলক। তবে প্রধান নির্বাচক জানালেন, ‘জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ হালকা করে নেয়ার সুযোগ নেই। আমরা সামর্থ্যরে সম্ভাব্য সেরা দল নিয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করব। কাজেই কাউকে বিশ্রাম দেয়ার প্রশ্ন অবান্তর।’

এশিয়া কাপে তামিম-সাকিবসহ স্কোয়াড ছিল ১৯ জনের। পরে ইনজুরিতে এ দু’জন ছিটকে যাওয়ায় এ সংখ্যা কমে ১৭ তে নেমে আসে। এবার সাকিব-তামিম ছাড়া বাকি তিন স্তম্ভকে দলে প্রাধান্য দিয়ে প্রধান নির্বাচক জানান, ‘আমরা ১৪ জনের দল সাজাতে চাই। তাতে নতুন কারো অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা খুব কম। এশিয়া কাপ স্কোয়াডের বাইরে থাকা কারোর ঢোকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।’

এশিয়া কাপে শেষ মুহূর্তে দলে স্থান পাওয়া ইমরুল ও সৌম্যও থাকতে পারে দলে। রাজশাহীর মিজানুর রহমান মিজান নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। তাকেও আমলে রাখছেন নির্বাচকেরা, ‘আমরা মিজানকে খুটিয়ে দেখব। পাশাপাশি নাজমুল শান্তর সর্বশেষ অবস্থাও পরখ করব। তাই জাতীয় লিগের পরবর্তী পর্বে আমি রাজশাহী যাচ্ছি। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ দেখতে (মিজান ও শান্ত রাজশাহীর হয়ে খেলছেন)।’

মাশরাফি, মুস্তাফিজ, রুবেলের সাথে চতুর্থ পেসার হিসেবে ছিলেন আবু হায়দার রনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে হয়তো দু’জন পেসারও খেলানো হতে পারে। স্পিনার কোটায় মেহেদি মিরাজ ও নাজমুল অপু ছিলেন। চার পেসার ও দুই স্পিনার মিলিয়ে ছয়জন প্রায় নিশ্চিত। ব্যাটসম্যান হিসেবে লিটন দাস নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেছেন। মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ এবং হাফ সেঞ্চুরি করা মোহাম্মদ মিঠুনও থাকবেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে।

এই চারজনের বাইরে নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুমিনুল হক, আরিফুল হক, ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার। এদের মাঝে দু’জনকে বাইরে থাকতে হবে। তন্মধ্যে শান্ত, সৈকত ও মুমিনুলের মাঝে যেকোনো দু’জন থাকতে পারেন বাইরে। কারণটা হলো এশিয়া কাপে তাদের পারফরম্যান্স মোটেই সুবিধার ছিল না।

সৌম্য ফাইনালে সুযোগ পেয়ে তেমন কিছু করতে না পারলেও শেষ দিকে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। দেশে ফিরে জাতীয় লিগে সেঞ্চুরিও করেছেন সৌম্য। তাই ইমরুল-সৌম্য প্রায় নিশ্চিত। তা ছাড়া সৌম্যের ফলাফল যাই থাক না কেন ভাগ্যই তাকে জায়গা করে দেয় জাতীয় দলে।

ইনজুরি থাকবেই এবং আপনাকে এটা নিয়েই খেলতে হবে : মাহমুদুল্লাহ

ইনজুরির কারণে নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ। হাতের ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে থাকতে হতে পারে সাকিবকে।

হাতের ইনজুরির কারণে সাকিবকে অন্তত তিন মাস প্রতিযোগিতামুলক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে সফরে আসবে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ দুটি সিরিজ।

ইতোপূর্বে ইনজুরির কারণে কারণে সাকিবের অনুপস্থিতিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ ছাড়া গত মার্চে শ্রীলংকায় নিদাহাস ট্রফিতেও সাকিবের অনুপস্থিতে শেষ দিকে টাইগার দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ।

মাহমুদুল্লাহ আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং কাজ হওয়ায় আমি সব সময়ই নেতৃত্ব দেয়া উপভোগ করে আসছি এবং একই সময়ে এটা অনেক সম্মানের বিষয়ও।’

তিনি আরো বলেন,‘ আমি সব সময়ই এ জন্য (অধিনায়কত্ব) প্রস্তুত এবং এমন দায়িত্ব পেলে আমি সে জন্য প্রস্তুত।’

সাকিব ছাড়া তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমেরও দলের সিনিয়র ও তারকা খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে থাকায় কিছুটা চিন্তিত বাংলাদেশ শিবির। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হাতে আঘাত পান তামিম এবং পাঁজরের সমস্যা রয়েছে মুশফিকের। মাহমুদুল্লাহ নিজেও পিঠে আঘাত থেকে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি। তবে সিরিজের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার আশা প্রকার করেন মাহমুদুল্লাহ।

দলের সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডজ সফরে পিঠে আঘাত পান মাহমুদুল্লাহ। তবে এরপর তিনি ক্যারিবিয়ার প্রিমিয়ার লীগ ও এশিয়া কাপ খেলেছেন। এশিয়া কাপে আঘাতটা আবার জেগে উঠলে বর্তমানে তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।

মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘ইনজুরি থাকবেই এবং আপনাকে এটা নিয়েই খেলতে হবে। হতে পারে ধারাবাহিকভাবে ক্রিকেট খেলতে থাকলে এ সমস্যা আরো বড় হতে পারে- যেমনটা এখন আমি পাঁজরে ব্যথা অনুভব করছি।’

তিনি আরো বলেন,‘ এই মুহূর্তে আমি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি এবং বিশ্রামে আছি। আশা করছি যথা সময়ে সুস্থ হয়ে উঠব।’

বিবি/রেআ