০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

‘সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ঋণ প্রদান জরুরি’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৩৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
  • 154

আমানত গ্রহণ করে ঋণ প্রদান করাই ব্যাংকের কাজ। তবে সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ঋণ প্রদান এবং খেলাপি ঋণ সবসময় সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরি।

রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা এসব কথা বলেন। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ’ (এবিবি) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

ব্যাংকের নির্বাহীরা বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক বড় হয়েছে। জিডিপি, মাথাপিছু আয়সহ বেশিরভাগ সূচকেই উন্নতি হয়েছে। এসব উন্নয়নের মূল ভূমিকা পালন করছে ব্যাংকিং খাত। তাই অর্থের জোগানের প্রধান এ খাতকে শক্তিশালী করতে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং সব ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে গেছি। কৃষি থেকে আমরা এখন শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ অর্জন ও পরিবর্তনের প্রধান ভূমিকা পালন করছে ব্যাংকিং খাত।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান বলেন, গত দশ বছরে ৮ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণের ঝুঁকি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা যদি ঝুঁকিপূর্ণ ঋণকে (ছোট, মাঝারি ও বড়) তিন ভাগে ভাগ করি তাহলে দেখা যাবে, বর্তমানে ছোট আকারের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ মোকাবেলায় দেশের সবগুলো ব্যাংকের সক্ষমতা রয়েছে। আর মাঝারি আকারের ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষম ৭০ শতাংশ ব্যাংক। তবে বড় ঝুঁকির ক্ষেত্রে সবাই সক্ষম নয়।

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আরফান আলী বলেন, এক সময় ব্যাংকিং খাতে ৯ দশমকি ৬১ শতাংশ সেবা বিনামূল্যে দেয়া হত। বর্তমানে ৬৬ শতাংশ সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। বর্তমানে স্কুল ব্যাংকিং, ১০ টাকার হিসাব খোলা সব ক্ষেত্রের আমরা সফল। যার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাত রোল মডেলের ভূমিকা পালন করছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে মোট জনগোষ্ঠীর ৫০ শতাংশের ওপরে ব্যাংক হিসাব রয়েছে। মোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ৮ কোটি ৮ কোটি ৭০ লাখ।

এবিবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, খেলাপি ঋণের বিষয়টি আগামীতে আরো সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

এবিবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি ) সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যাংক এশিয়ার এমডি মোহাম্মদ আরফান আলী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, সিটি ব্যাংকের এমডি সোহেল আর কে হোসাইন, এবিবির সাবেক সভাপতি ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্টের ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখারসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

‘সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ঋণ প্রদান জরুরি’

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

আমানত গ্রহণ করে ঋণ প্রদান করাই ব্যাংকের কাজ। তবে সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ঋণ প্রদান এবং খেলাপি ঋণ সবসময় সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরি।

রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা এসব কথা বলেন। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ’ (এবিবি) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

ব্যাংকের নির্বাহীরা বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক বড় হয়েছে। জিডিপি, মাথাপিছু আয়সহ বেশিরভাগ সূচকেই উন্নতি হয়েছে। এসব উন্নয়নের মূল ভূমিকা পালন করছে ব্যাংকিং খাত। তাই অর্থের জোগানের প্রধান এ খাতকে শক্তিশালী করতে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং সব ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে গেছি। কৃষি থেকে আমরা এখন শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ অর্জন ও পরিবর্তনের প্রধান ভূমিকা পালন করছে ব্যাংকিং খাত।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান বলেন, গত দশ বছরে ৮ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণের ঝুঁকি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা যদি ঝুঁকিপূর্ণ ঋণকে (ছোট, মাঝারি ও বড়) তিন ভাগে ভাগ করি তাহলে দেখা যাবে, বর্তমানে ছোট আকারের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ মোকাবেলায় দেশের সবগুলো ব্যাংকের সক্ষমতা রয়েছে। আর মাঝারি আকারের ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষম ৭০ শতাংশ ব্যাংক। তবে বড় ঝুঁকির ক্ষেত্রে সবাই সক্ষম নয়।

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আরফান আলী বলেন, এক সময় ব্যাংকিং খাতে ৯ দশমকি ৬১ শতাংশ সেবা বিনামূল্যে দেয়া হত। বর্তমানে ৬৬ শতাংশ সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। বর্তমানে স্কুল ব্যাংকিং, ১০ টাকার হিসাব খোলা সব ক্ষেত্রের আমরা সফল। যার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাত রোল মডেলের ভূমিকা পালন করছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে মোট জনগোষ্ঠীর ৫০ শতাংশের ওপরে ব্যাংক হিসাব রয়েছে। মোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ৮ কোটি ৮ কোটি ৭০ লাখ।

এবিবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, খেলাপি ঋণের বিষয়টি আগামীতে আরো সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

এবিবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি ) সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যাংক এশিয়ার এমডি মোহাম্মদ আরফান আলী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, সিটি ব্যাংকের এমডি সোহেল আর কে হোসাইন, এবিবির সাবেক সভাপতি ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্টের ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখারসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/জেজে