০৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

স্বর্ণের আমদানি শুল্ক নির্ধারণ

স্বর্ণ আমদানি শুল্ক নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বর্ণ আমদানি নীতিনির্ধারণসংক্রান্ত কমিটি। এতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে আমদানিকৃত স্বর্ণের প্রতি ভরিতে দুই হাজার টাকা। তবে ব্যক্তিগতভাবে কেউ স্বর্ণ আমদানি করলে প্রতি ভরিতে তিন হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এতে বলা হয়, বাণিজ্যিকভাবে স্বর্ণ আমদানির শুল্ক দুই হাজার টাকা হলেও ব্যক্তিগতভাবে স্বর্ণ আমদানি করলে (প্যাকেজ) তিন হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই পাঁচ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত থাকবে।

চলতি মাসেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্বর্ণ নীতিমালার এসআরও জারি করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের স্বর্ণ আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, অবৈধ স্বর্ণ বৈধকরণ করার জন্য কর নির্ধারণ করা হবে বলেও জানা গেছে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি জিকে মালাকার বলেন, স্বর্ণ আমদানি শুল্ক ২ হাজার টাকা, ভ্যাট ৫ শতাংশ আর অবৈধ সোনার ভরি প্রতি বৈধকরণ ট্যাক্স ১ হাজার টাকা।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় স্বর্ণ মেলায় অবৈধ স্বর্ণ এক হাজার টাকা ট্যাক্স দিয়ে বৈধ করা হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ খুব শিগগির নিলাম করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জমানো স্বর্ণ সবশেষ নিলাম হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে বৈঠকে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাজুস প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউতে ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

স্বর্ণের আমদানি শুল্ক নির্ধারণ

প্রকাশিত : ১২:০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

স্বর্ণ আমদানি শুল্ক নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বর্ণ আমদানি নীতিনির্ধারণসংক্রান্ত কমিটি। এতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে আমদানিকৃত স্বর্ণের প্রতি ভরিতে দুই হাজার টাকা। তবে ব্যক্তিগতভাবে কেউ স্বর্ণ আমদানি করলে প্রতি ভরিতে তিন হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এতে বলা হয়, বাণিজ্যিকভাবে স্বর্ণ আমদানির শুল্ক দুই হাজার টাকা হলেও ব্যক্তিগতভাবে স্বর্ণ আমদানি করলে (প্যাকেজ) তিন হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই পাঁচ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত থাকবে।

চলতি মাসেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্বর্ণ নীতিমালার এসআরও জারি করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের স্বর্ণ আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, অবৈধ স্বর্ণ বৈধকরণ করার জন্য কর নির্ধারণ করা হবে বলেও জানা গেছে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি জিকে মালাকার বলেন, স্বর্ণ আমদানি শুল্ক ২ হাজার টাকা, ভ্যাট ৫ শতাংশ আর অবৈধ সোনার ভরি প্রতি বৈধকরণ ট্যাক্স ১ হাজার টাকা।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় স্বর্ণ মেলায় অবৈধ স্বর্ণ এক হাজার টাকা ট্যাক্স দিয়ে বৈধ করা হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ খুব শিগগির নিলাম করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জমানো স্বর্ণ সবশেষ নিলাম হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে বৈঠকে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাজুস প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/রেআ