০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ব্যাংক-বীমায় ভর করেই উঠল শেয়ারবাজার

সিংহভাগ ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের কারণে সোমবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। তবে এক কার্যদিবস পরেই মঙ্গলবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলো। ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান মূল্য সূচকের উত্থান হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫টি ব্যাংকের শেয়ার দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২টির এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর বীমা খাতের ৩৩টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪টির।

আগের কার্যদিবস সোমবার মাত্র ৬টি বীমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ে। বিপরীতে দাম কমে ৪১টি বীমা কোম্পানির। অপরদিকে ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ওই দিন দাম বাড়ে মাত্র ২টির। বিপরীতে দাম কমে ২৬টির। আর ২টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।

এদিকে ব্যাংক ও বীমা খাতের সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়লেও ডিএসই সব খাত মিলিয়ে যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে কমেছে তার থেকে বেশি। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৫১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫৯টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির দাম।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুটি মূল্য সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

প্রধান মূল্য সূচকের উত্থান হলেও ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজারটিতে দিনভর লেনদেন হয়েছে ৯৪৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৬৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে এদিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইষ্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩০ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- গ্রামীণফোন, ন্যাশনাল পলিমার, বিবিএস কেবলস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, সায়হাম টেক্সটাইল, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৩টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

ব্যাংক-বীমায় ভর করেই উঠল শেয়ারবাজার

প্রকাশিত : ০৩:৪০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৯

সিংহভাগ ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের কারণে সোমবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। তবে এক কার্যদিবস পরেই মঙ্গলবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলো। ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান মূল্য সূচকের উত্থান হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫টি ব্যাংকের শেয়ার দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২টির এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর বীমা খাতের ৩৩টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪টির।

আগের কার্যদিবস সোমবার মাত্র ৬টি বীমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ে। বিপরীতে দাম কমে ৪১টি বীমা কোম্পানির। অপরদিকে ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ওই দিন দাম বাড়ে মাত্র ২টির। বিপরীতে দাম কমে ২৬টির। আর ২টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।

এদিকে ব্যাংক ও বীমা খাতের সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়লেও ডিএসই সব খাত মিলিয়ে যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে কমেছে তার থেকে বেশি। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৫১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫৯টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির দাম।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুটি মূল্য সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

প্রধান মূল্য সূচকের উত্থান হলেও ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজারটিতে দিনভর লেনদেন হয়েছে ৯৪৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৬৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে এদিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইষ্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩০ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- গ্রামীণফোন, ন্যাশনাল পলিমার, বিবিএস কেবলস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, সায়হাম টেক্সটাইল, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৩টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির।

বিবি/রেআ