১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অপহরণকারীরা ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণে মামুনকে মুক্তি দিল

গত শনিবার দুপুরে যশোর থেকে নিখোঁজ হন ইবির আল কোরআন বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সেই থেকেই তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। তবে সোমবার রাত ১২টার দিকে ও মঙ্গলবার সকালে মামুনকে ফেরত পেতে হলে তার পরিবারের কাছে মোবাইলে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।

ইবি ছাত্র মামুনের বাবা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের ঘোলা গ্রামের সিদ্দিক মোল্লা বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামুন বাড়িতে ফোন করে জানায় সে সাতক্ষীরায় রয়েছে। তখন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে বাড়িতে আনা হয়।

মামুন জানিয়েছেন, যশোর পর্যন্ত আসার পর একটি মাইক্রোবাস তাকে সাতক্ষীরায় নামিয়ে দেবে বলে জানায়। ভাড়া বেশি দিতে হবে না। তখন মামুন মাইক্রোবাসটিতে ওঠেন। গাড়িতে আরও তিনজন ছিল। যশোর ঝিকরগাছা পর্যন্ত সচেতন থাকলেও তারপর থেকে অচেতন হয়ে পড়েন। চারদিন তাকে একটি ছোট ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল। পাউরুটি ও কলা খেতে দিয়েছে তারা।

অপহরণকারীদের টাকা দিতে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে মামুন বলেন, পাঁচ হাজার টাকা বিকাশে দিয়েছিলাম। এর বেশি দিইনি। যখন গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে যায় তখন তারা তিনজন ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আল কোরআন বিভাগের ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী একটি মসজিদের ঈমাম। নিখোঁজ হওয়ার পর ইবি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন মামুনের বাবা।

বিবি/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অপহরণকারীরা ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণে মামুনকে মুক্তি দিল

প্রকাশিত : ১০:২৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

গত শনিবার দুপুরে যশোর থেকে নিখোঁজ হন ইবির আল কোরআন বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সেই থেকেই তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। তবে সোমবার রাত ১২টার দিকে ও মঙ্গলবার সকালে মামুনকে ফেরত পেতে হলে তার পরিবারের কাছে মোবাইলে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।

ইবি ছাত্র মামুনের বাবা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের ঘোলা গ্রামের সিদ্দিক মোল্লা বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামুন বাড়িতে ফোন করে জানায় সে সাতক্ষীরায় রয়েছে। তখন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে বাড়িতে আনা হয়।

মামুন জানিয়েছেন, যশোর পর্যন্ত আসার পর একটি মাইক্রোবাস তাকে সাতক্ষীরায় নামিয়ে দেবে বলে জানায়। ভাড়া বেশি দিতে হবে না। তখন মামুন মাইক্রোবাসটিতে ওঠেন। গাড়িতে আরও তিনজন ছিল। যশোর ঝিকরগাছা পর্যন্ত সচেতন থাকলেও তারপর থেকে অচেতন হয়ে পড়েন। চারদিন তাকে একটি ছোট ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল। পাউরুটি ও কলা খেতে দিয়েছে তারা।

অপহরণকারীদের টাকা দিতে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে মামুন বলেন, পাঁচ হাজার টাকা বিকাশে দিয়েছিলাম। এর বেশি দিইনি। যখন গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে যায় তখন তারা তিনজন ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আল কোরআন বিভাগের ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী একটি মসজিদের ঈমাম। নিখোঁজ হওয়ার পর ইবি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন মামুনের বাবা।

বিবি/এমএ