০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর সিটির ৬ হাজার ১৩৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

সোমবার দুপুরে গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকার বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে সিটি মেয়র আলহাজ্ব এ্যাড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাজেট ঘোষণা করেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, শামসুন্নাহার ভূইয়া এমপি, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেনসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দলীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এ বাজেটে রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) ৪২৪ কোটি ৮০লাখ টাকা, পানি সরবরাহ ১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, উন্নয়ন (সরকারি থোক বরাদ্দ) ১০৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি প্রকল্পের ৪ হাজার ৩৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকা আয় প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ওই বাজেটে রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) ১৬৩ কোটি ১ লাখ টাকা, পানি সরবরাহ ১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সরকারি অনুদান ১০৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, উন্নয়ন (নিজস্ব রাজস্ব তহবিল) ২৬১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি ভিত্তিক প্রকল্পের ৪ হাজার ২১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।

মেয়র বাজেট ঘোষনাকালে আরো বলেন, ব্যয় খাতসমূহের মধ্যে সাধারণ সংস্থাপন ব্যয় ১৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে ১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সরকারি অনুদানে (থোক বরাদ্দ) অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং অবকাঠামো ও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বিভিন্ন রাস্তা প্রশস্তকরণ, ড্রেন নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য উন্নয়ন খাত হতে বিশেষ প্রয়োজনে ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। মোট বাজেটের ৮৪ শতাংশ টাকা শুধু রাস্তা নির্মাণ, রাস্তা মেরামত, ড্রেন নির্মাণ, ড্রেন মেরামত খাতে ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বাজেটে উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ১ হাজার ৩৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

বাজেটে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা ৩২৯.৪০লাখ টাকা, কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতনভাতা ১৭০০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। তবে মেয়রের কোন বাড়ি ভাড়া না থাকলেও কাউন্সিলরদের অফিসভাড়া বাবদ রাখা হয়েছে ৭২.৯৬ লাখ টাকা। বাজেটে মশক নিধনে ৭৫ লাখ টাকা, কুকুর নিধনে ১০লাখ টাকা রাখা হয়েছে।

মেয়র বলেন, গাজীপুরকে সবার জন্য বাসযোগ্য একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সড়ক বা রাস্তায় কোন দোকানপাট বসতে দেয়া হবে না। হকারদের জন্য ১০টি হকার মার্কেট করে দেয়া হবে। যারা রাস্তা বা ড্রেনের জন্য জমি দেবে তাদের হোল্ডিং টেক্স ফ্রি করে দেয়া হবে। তাদের নামও লিখে বা সংরক্ষণ করে রাখা হবে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের কেউ বেকার থাকলে তাদের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হবে। নতুন অর্থ বছরে কোন ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। আমি আমার সততা থেকে এক ইঞ্চি নড়বো না। কেউ অন্যায় বা দূর্নীতি এবং অনিয়ম করে পার পাবে না।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

গাজীপুর সিটির ৬ হাজার ১৩৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৫:২১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯

সোমবার দুপুরে গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকার বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে সিটি মেয়র আলহাজ্ব এ্যাড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাজেট ঘোষণা করেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, শামসুন্নাহার ভূইয়া এমপি, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেনসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দলীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এ বাজেটে রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) ৪২৪ কোটি ৮০লাখ টাকা, পানি সরবরাহ ১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, উন্নয়ন (সরকারি থোক বরাদ্দ) ১০৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি প্রকল্পের ৪ হাজার ৩৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকা আয় প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ওই বাজেটে রাজস্ব (সাধারণ তহবিল) ১৬৩ কোটি ১ লাখ টাকা, পানি সরবরাহ ১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সরকারি অনুদান ১০৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, উন্নয়ন (নিজস্ব রাজস্ব তহবিল) ২৬১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপি ভিত্তিক প্রকল্পের ৪ হাজার ২১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।

মেয়র বাজেট ঘোষনাকালে আরো বলেন, ব্যয় খাতসমূহের মধ্যে সাধারণ সংস্থাপন ব্যয় ১৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে ১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা, সরকারি অনুদানে (থোক বরাদ্দ) অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং অবকাঠামো ও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বিভিন্ন রাস্তা প্রশস্তকরণ, ড্রেন নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য উন্নয়ন খাত হতে বিশেষ প্রয়োজনে ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। মোট বাজেটের ৮৪ শতাংশ টাকা শুধু রাস্তা নির্মাণ, রাস্তা মেরামত, ড্রেন নির্মাণ, ড্রেন মেরামত খাতে ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বাজেটে উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ১ হাজার ৩৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

বাজেটে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা ৩২৯.৪০লাখ টাকা, কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতনভাতা ১৭০০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। তবে মেয়রের কোন বাড়ি ভাড়া না থাকলেও কাউন্সিলরদের অফিসভাড়া বাবদ রাখা হয়েছে ৭২.৯৬ লাখ টাকা। বাজেটে মশক নিধনে ৭৫ লাখ টাকা, কুকুর নিধনে ১০লাখ টাকা রাখা হয়েছে।

মেয়র বলেন, গাজীপুরকে সবার জন্য বাসযোগ্য একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সড়ক বা রাস্তায় কোন দোকানপাট বসতে দেয়া হবে না। হকারদের জন্য ১০টি হকার মার্কেট করে দেয়া হবে। যারা রাস্তা বা ড্রেনের জন্য জমি দেবে তাদের হোল্ডিং টেক্স ফ্রি করে দেয়া হবে। তাদের নামও লিখে বা সংরক্ষণ করে রাখা হবে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের কেউ বেকার থাকলে তাদের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হবে। নতুন অর্থ বছরে কোন ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। আমি আমার সততা থেকে এক ইঞ্চি নড়বো না। কেউ অন্যায় বা দূর্নীতি এবং অনিয়ম করে পার পাবে না।