১১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ঋণ নিতে চেয়ারম্যানকে গ্যারান্টি দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী

ঋণ ইস্যুতে গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও পরিচালককে ব্যক্তিগত গ্যারান্টি দিতে হবে। আর ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে জামানত বা মর্টগেজ সঠিকভাবে রেখেই ঋণ দিতে হবে। যাতে ঋণের বিপরীতে নিশ্চয়তা থাকে। এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করতে আইনের সংশোধন করা হবে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় এসব উদ্যোগ এতটাই শক্তিশালী করা হবে যাতে খেলাপি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়।

এসব বিষয় নিশ্চিত করতে পারলে কোনোভাবেই খেলাপি ঋণ বাড়বে না।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক হয়। সেখানে সোনালী, অগ্রণী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে তারা ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জমা দেন। ব্যাংক আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কিছু আইনি দুর্বলতা ছিল। এসব দুর্বল দিক এখন দূর করা হবে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

গ্রহীতা দায়ী থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর সঙ্গে কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ জন্য বলছি খেলাপি ঋণ বাড়বে না। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যারা ভালো ঋণ গ্রহীতা তাদের আমরা আবার ঋণ দেব।

আর যারা ভালো নয়, তাদের ঋণ দেয়া হবে না। খারাপ ঋণ গ্রহীতাদের নিয়ে ভাবনার দরকার নেই।

মুস্তফা কামাল বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগের পর তাদের কার্যক্রম নিয়ে মঙ্গলবার ছিল প্রথম বৈঠক। তিন মাস পর দ্বিতীয় বৈঠক করা হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি প্রকাশ্যে তুলে ধরা হবে।

খেলাপি ঋণ বাড়ল কিনা সেটিও প্রকাশ করা হবে। আশা করি, খেলাপি ঋণ বাড়বে না। তবে বাড়লে এর কারণও প্রকাশ করা হবে। এ দেশের জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা আছে। সে দায়বদ্ধতা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই।

চার ব্যাংকের কর্মপরিকল্পনা দিয়ে আগামীতে তাদের সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে কিনা প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, তিন মাস পর এর মূল্যায়ন হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি ও অবনতির সূচকগুলো পর্যালোচনা করলে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত চিত্র।

এর আগেও বলেছেন, খেলাপি ঋণ আর বাড়বে না, আজকে নতুন কি এমন প্রস্তাব মিলেছে যাতে আপনি আশ্বস্ত হয়ে বলছেন খেলাপি আর বাড়বে না? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ বাড়বে না, কারণ এর বৃদ্ধির আর কোনো ব্যবস্থা (সুযোগ) নেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ নিয়ে আমরা সব সময় দুশ্চিন্তায় আছি। সহজে এখান থেকে মুক্তি পেতে আজকের বৈঠকে সবাই একমত হয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হবে।

পাশাপাশি এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর এসব ব্যাংকের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিল করবে। তাদের সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করা হবে।

ব্যাংকিং খাতে প্রায়ই দেখা যায়, রফতানি বিলের অনুকূলে টাকা পরিশোধ হচ্ছে কিন্তু ঘাপলা হয়, আবার এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। এ জাতীয় ঘটনা আগামীতে আর দেখা যাবে না বলে জানান আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, নতুন পদ্ধতিতে ব্যাংকিং খাতে এগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য প্রতিটি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা হবে। চার ব্যাংকের জন্য একই পদ্ধতি করে দেয়া হবে।

আমার বিশ্বাস এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার পর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নিয়ে কষ্ট ও দুশ্চিন্তা থাকবে না।

ব্যাংকগুলোর সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পারফরম্যান্স চুক্তি করা আছে। এখন এসব চুক্তি কি বাতিল হবে? অর্থমন্ত্রী বলেন, তা বাতিল হবে না। সরকারের সব মন্ত্রণালয় এ চুক্তি করছে। এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন না করা হলে কিভাবে হংকং ও সিঙ্গাপুরের ওপরে বাংলাদেশ গেল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব জায়গায় আমাদের বিচ্যুতি আছে সেগুলো চিহ্নিত করে আইনের পরিবর্তন করা হলে ঋণ গ্রহীতা ও সরকার উভয়ই উপকৃত হবে। এই বিচ্যুতি ঠিক করে ব্যাংকিং খাতকে রক্ষা করা হবে। যেখানে পরিবর্তন করা দরকার সেখানেই করা হবে।

ব্যাংকের বোনাস নিয়েও একটি আইন করা হচ্ছে। কতটুকু অগ্রগতি করলে বোনাস হবে সেটিও নির্ধারণ করা হবে ওই আইনে। সব ক্ষেত্রে এসব কাজ করা হচ্ছে। যা আগে করার সুযোগ পাওয়া যায়নি। ব্যাংক কমিশন গঠন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগে আইনগুলো সংশোধন করতে হবে।

এরপর নিজেরা শক্তিশালী হব। নিজেদের ঘর ঘুছিয়ে আইন সংশোধন, জনবল ও নিয়মনীতি ঠিক করে এরপর ব্যর্থ হলে কমিশন গঠন করা হবে। কমিশন আমাদের ব্যর্থতা খুঁজবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু করা হয়নি।

সরকারি ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি একক গ্রুপকে দেয়া হচ্ছে- এটি কমিয়ে আনার কোনো নির্দেশ আছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, একজন ঋণ গ্রহীতা কতটা ঋণ নিতে পারবে নতুন আইনে বলা আছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক পরিচালকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যাদের ব্যাংকিং জ্ঞান আছে। যাদের নেই তাদের নেয়া হচ্ছে না। ব্যাংকগুলোতে একজন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক দেয়া হচ্ছে।

কারণ প্রতিদিন নানা চুক্তি করতে হয়। বিচারক এসব চুক্তি পর্যালোচনা করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি তদন্ত নিয়ে অগ্রগতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান আছে। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কথা বলা যাবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরায় তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভা আজ

ঋণ নিতে চেয়ারম্যানকে গ্যারান্টি দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ঋণ ইস্যুতে গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও পরিচালককে ব্যক্তিগত গ্যারান্টি দিতে হবে। আর ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে জামানত বা মর্টগেজ সঠিকভাবে রেখেই ঋণ দিতে হবে। যাতে ঋণের বিপরীতে নিশ্চয়তা থাকে। এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করতে আইনের সংশোধন করা হবে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় এসব উদ্যোগ এতটাই শক্তিশালী করা হবে যাতে খেলাপি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়।

এসব বিষয় নিশ্চিত করতে পারলে কোনোভাবেই খেলাপি ঋণ বাড়বে না।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক হয়। সেখানে সোনালী, অগ্রণী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে তারা ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জমা দেন। ব্যাংক আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কিছু আইনি দুর্বলতা ছিল। এসব দুর্বল দিক এখন দূর করা হবে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

গ্রহীতা দায়ী থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর সঙ্গে কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ জন্য বলছি খেলাপি ঋণ বাড়বে না। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যারা ভালো ঋণ গ্রহীতা তাদের আমরা আবার ঋণ দেব।

আর যারা ভালো নয়, তাদের ঋণ দেয়া হবে না। খারাপ ঋণ গ্রহীতাদের নিয়ে ভাবনার দরকার নেই।

মুস্তফা কামাল বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগের পর তাদের কার্যক্রম নিয়ে মঙ্গলবার ছিল প্রথম বৈঠক। তিন মাস পর দ্বিতীয় বৈঠক করা হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি প্রকাশ্যে তুলে ধরা হবে।

খেলাপি ঋণ বাড়ল কিনা সেটিও প্রকাশ করা হবে। আশা করি, খেলাপি ঋণ বাড়বে না। তবে বাড়লে এর কারণও প্রকাশ করা হবে। এ দেশের জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা আছে। সে দায়বদ্ধতা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই।

চার ব্যাংকের কর্মপরিকল্পনা দিয়ে আগামীতে তাদের সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে কিনা প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, তিন মাস পর এর মূল্যায়ন হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি ও অবনতির সূচকগুলো পর্যালোচনা করলে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত চিত্র।

এর আগেও বলেছেন, খেলাপি ঋণ আর বাড়বে না, আজকে নতুন কি এমন প্রস্তাব মিলেছে যাতে আপনি আশ্বস্ত হয়ে বলছেন খেলাপি আর বাড়বে না? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ বাড়বে না, কারণ এর বৃদ্ধির আর কোনো ব্যবস্থা (সুযোগ) নেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ নিয়ে আমরা সব সময় দুশ্চিন্তায় আছি। সহজে এখান থেকে মুক্তি পেতে আজকের বৈঠকে সবাই একমত হয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হবে।

পাশাপাশি এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর এসব ব্যাংকের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিল করবে। তাদের সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করা হবে।

ব্যাংকিং খাতে প্রায়ই দেখা যায়, রফতানি বিলের অনুকূলে টাকা পরিশোধ হচ্ছে কিন্তু ঘাপলা হয়, আবার এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। এ জাতীয় ঘটনা আগামীতে আর দেখা যাবে না বলে জানান আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, নতুন পদ্ধতিতে ব্যাংকিং খাতে এগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য প্রতিটি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা হবে। চার ব্যাংকের জন্য একই পদ্ধতি করে দেয়া হবে।

আমার বিশ্বাস এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার পর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নিয়ে কষ্ট ও দুশ্চিন্তা থাকবে না।

ব্যাংকগুলোর সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পারফরম্যান্স চুক্তি করা আছে। এখন এসব চুক্তি কি বাতিল হবে? অর্থমন্ত্রী বলেন, তা বাতিল হবে না। সরকারের সব মন্ত্রণালয় এ চুক্তি করছে। এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন না করা হলে কিভাবে হংকং ও সিঙ্গাপুরের ওপরে বাংলাদেশ গেল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব জায়গায় আমাদের বিচ্যুতি আছে সেগুলো চিহ্নিত করে আইনের পরিবর্তন করা হলে ঋণ গ্রহীতা ও সরকার উভয়ই উপকৃত হবে। এই বিচ্যুতি ঠিক করে ব্যাংকিং খাতকে রক্ষা করা হবে। যেখানে পরিবর্তন করা দরকার সেখানেই করা হবে।

ব্যাংকের বোনাস নিয়েও একটি আইন করা হচ্ছে। কতটুকু অগ্রগতি করলে বোনাস হবে সেটিও নির্ধারণ করা হবে ওই আইনে। সব ক্ষেত্রে এসব কাজ করা হচ্ছে। যা আগে করার সুযোগ পাওয়া যায়নি। ব্যাংক কমিশন গঠন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগে আইনগুলো সংশোধন করতে হবে।

এরপর নিজেরা শক্তিশালী হব। নিজেদের ঘর ঘুছিয়ে আইন সংশোধন, জনবল ও নিয়মনীতি ঠিক করে এরপর ব্যর্থ হলে কমিশন গঠন করা হবে। কমিশন আমাদের ব্যর্থতা খুঁজবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু করা হয়নি।

সরকারি ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি একক গ্রুপকে দেয়া হচ্ছে- এটি কমিয়ে আনার কোনো নির্দেশ আছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, একজন ঋণ গ্রহীতা কতটা ঋণ নিতে পারবে নতুন আইনে বলা আছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক পরিচালকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যাদের ব্যাংকিং জ্ঞান আছে। যাদের নেই তাদের নেয়া হচ্ছে না। ব্যাংকগুলোতে একজন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক দেয়া হচ্ছে।

কারণ প্রতিদিন নানা চুক্তি করতে হয়। বিচারক এসব চুক্তি পর্যালোচনা করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি তদন্ত নিয়ে অগ্রগতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান আছে। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কথা বলা যাবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান