ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত অন্যতম প্রচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটসহ নানা সমস্যায় শিক্ষা ব্যাবস্থা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।ইতিহাসের স্বাক্ষী এই বিদ্যালয়টি ৩৩ শতক জায়গার উপড় ১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ছিল।
বর্তমানে ২৩০ জন শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়টিতে ৭ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মাত্র ৩ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম।
জানা যায়,২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫ জন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়টি চলে আসছিলো।পরে ২০১৯ সালে একজন শিক্ষক অবসরে গেছেন কিন্তু এই শূণ্য পদটি এখনো পূরণ হয় নি।বর্তমানে আরেকজন শিক্ষক আছেন মাতৃত্বকালিন ছুটিতে।
বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন শিক্ষক দিয়ে চলছে ২৩০জন শিক্ষার্থীর পাঠদান। এ কারনে চাপে আছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ।
ভারপ্রাপÍ প্রধান শিক্ষিকা ফখরুন নাহার রোজি বলেন,বিদ্যালয়ে বাচ্চাদের খেলার মাঠ নাই।মান সম্মত সেনিটেশনের ব্যবস্থা নাই।বিদ্যালয়ের সামনে থাকা বিশাল ডোবাটি কোমলমতি বাচ্ছাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।যে কোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।প্রতিদিন শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের ডোবার সামনে দিয়ে আসা যাওয়া করে।ডোবাটি ভরাট করা জরুলি প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে স্থাণীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের মাঠ দিয়ে গাড়ি চলাচল করে।গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে।তাছাড়া বিদ্যালয়ে আরো অনেক সমস্যা রয়েছে।তা সমাধান করা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বলেন,এই বিদ্যালয়ে ভালো মানের ওয়াশ রুম নেই।নেই কোন খেলার মাঠ।শিক্ষক সংকট তো আছেই।অতি দ্রুত এই সমস্যা গুলোর সমাধান দরকার।
এ ব্যাপারে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন,আমি লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা জেনেছি।সকল সমস্যা সমাধানের জন্য খুব শিঘ্রই ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান




















