০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

চলতি বছরে নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে

  • বিবিসি,
  • প্রকাশিত : ০১:২২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭
  • 270

দেশে চলতি বছরে ধর্ষণসহ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ঘটনা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে।
২৬ নভেম্বর রোববার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে সংগঠনটি।
সংস্থাটির বিভিন্ন শাখার ও ১৪টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হুমকি বা যৌন হয়রানির মতো অপরাধগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে মহিলা পরিষদ নারী নির্যাতনের এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে প্রথম ১০ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৭৩৭টি। আর গত বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫৩টি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রতি বছরেই চার মাস পরপর তারা নারীর ওপর যৌন অপরাধ পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট তৈরি করেন।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের যৌন অপরাধ দমনের জন্য কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধের সংখ্যাই বাড়ছে। বাংলাদেশে ২০১৬ সালে ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ৭০৫। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ৮৩৪-এ উঠেছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সংখ্যা ২০১৬-তে ছিল ১৩৯ আর এ বছর সেটা ১৯৩তে উঠেছে।’
এছাড়া এ ধরনের অপরাধ বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে পিতৃতান্ত্রিক বা পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকেই প্রধান বলে চিহ্নিত করেছেন আয়েশা খানম।
সূত্র: বিবিসি

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

চলতি বছরে নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে

প্রকাশিত : ০১:২২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

দেশে চলতি বছরে ধর্ষণসহ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ঘটনা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে।
২৬ নভেম্বর রোববার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে সংগঠনটি।
সংস্থাটির বিভিন্ন শাখার ও ১৪টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হুমকি বা যৌন হয়রানির মতো অপরাধগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে মহিলা পরিষদ নারী নির্যাতনের এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে প্রথম ১০ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৭৩৭টি। আর গত বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫৩টি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রতি বছরেই চার মাস পরপর তারা নারীর ওপর যৌন অপরাধ পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট তৈরি করেন।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের যৌন অপরাধ দমনের জন্য কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধের সংখ্যাই বাড়ছে। বাংলাদেশে ২০১৬ সালে ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ৭০৫। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ৮৩৪-এ উঠেছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সংখ্যা ২০১৬-তে ছিল ১৩৯ আর এ বছর সেটা ১৯৩তে উঠেছে।’
এছাড়া এ ধরনের অপরাধ বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে পিতৃতান্ত্রিক বা পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকেই প্রধান বলে চিহ্নিত করেছেন আয়েশা খানম।
সূত্র: বিবিসি