০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বিডিআর বিদ্রোহে লাভবান হয়েছে বিএনপি: হাছান মাহমুদ

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি ও দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লাভ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা শফিকুর বাহার মজুমদার টিপুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ জিন্নাত আলী জিন্নাহ, বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

বিএনপির সম্পৃক্ততার ঘটনা তদন্তের জন্য কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা প্রয়োজন বলে জানান হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া তিনি দুপুর ১২টার আগে ঘুম থেকে ওঠেন না। অথচ সেদিন তিনি সকাল ছয়টার সময় ঘুম থেকে উঠে সকাল সাতটার মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে কেন বের হয়েছিলেন?”

সেদিন খালেদা জিয়া কেন ক্যান্টনমেন্টের বাসায় রাত্রিযাপন করলেন না? এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, “সেদিন তারেক জিয়ার সঙ্গে খালেদা জিয়ার বহুবার কথা হয়েছিল, যা স্বাভাবিক ছিল না। কী কথা হয়েছিল, তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

এর আগে গত মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্ন করেছিলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় কারা লাভবান হয়েছে?” তার এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এক কথা বলেন হাছান মাহমুদ।
তবে ‘বিডিআর বিদ্রোহের রায়ের আরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত তাদের বিচার হয়েছে। এখন তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার হওয়া প্রয়োজন।”

বিশ্বের ১৭৭টি দেশের সৎ রাজনীতিবিদদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান তৃতীয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “এটি দেশ ও জাতির জন্য গৌরবের। অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া এনবিআরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয়, তার যে ব্ল্যাক মানি ছিল, তা দালিলিকভাবে স্বীকার করেছেন। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দেশকে দুর্নীতির মহাসাগরে রূপান্তর করেছিলেন তিনি।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

বিডিআর বিদ্রোহে লাভবান হয়েছে বিএনপি: হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ১০:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি ও দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লাভ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা শফিকুর বাহার মজুমদার টিপুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ জিন্নাত আলী জিন্নাহ, বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

বিএনপির সম্পৃক্ততার ঘটনা তদন্তের জন্য কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা প্রয়োজন বলে জানান হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া তিনি দুপুর ১২টার আগে ঘুম থেকে ওঠেন না। অথচ সেদিন তিনি সকাল ছয়টার সময় ঘুম থেকে উঠে সকাল সাতটার মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে কেন বের হয়েছিলেন?”

সেদিন খালেদা জিয়া কেন ক্যান্টনমেন্টের বাসায় রাত্রিযাপন করলেন না? এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, “সেদিন তারেক জিয়ার সঙ্গে খালেদা জিয়ার বহুবার কথা হয়েছিল, যা স্বাভাবিক ছিল না। কী কথা হয়েছিল, তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

এর আগে গত মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্ন করেছিলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় কারা লাভবান হয়েছে?” তার এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এক কথা বলেন হাছান মাহমুদ।
তবে ‘বিডিআর বিদ্রোহের রায়ের আরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত তাদের বিচার হয়েছে। এখন তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার হওয়া প্রয়োজন।”

বিশ্বের ১৭৭টি দেশের সৎ রাজনীতিবিদদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান তৃতীয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “এটি দেশ ও জাতির জন্য গৌরবের। অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া এনবিআরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয়, তার যে ব্ল্যাক মানি ছিল, তা দালিলিকভাবে স্বীকার করেছেন। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দেশকে দুর্নীতির মহাসাগরে রূপান্তর করেছিলেন তিনি।”