০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বিদায় নিতে গিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলেন এসপি হারুন

নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বিদায় নিতে গিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলেন। গতকাল দুপুরে পুলিশ লাইনসে তাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় তিনি কেঁদে ফেললেন। বক্তৃতা শেষেও বারবার চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। হারুনকে ৩ নভেম্বর পুলিশ সদর দফতরে বদলি করা হয়। কিন্তু নতুন এসপি না আসায় তিনি নতুন কর্মস্থলে জাননি।

এরই মধ্যে বুধবার নারায়ণগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। সেখানে মন্ত্রীর সামনে পড়ে যান হারুন। তাকে দেখে মন্ত্রী নাখোশ হন এবং দৃশ্যত কড়াভাষায় কিছু কথা বলেন। এরপর ওই অনুষ্ঠানে হারুনকে আর দেখা যায়নি।

গতকাল ঢাকায় সাংবাদিকরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হারুনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে। হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১ নভেম্বর রাতে তিনি ভিত্তিহীন অভিযোগে এক শিল্পপতির পুত্রবধূ ও নাতিকে বাড়ি থেকে তুলে এনেছেন।

কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে হারুন দাবি করেন, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য উদ্ধারের সময় ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অথচ ওই দুজনের বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশন নয়, বাড়ি থেকেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে আসছে।

বিদায় জানানোর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিমউদ্দিন, র‌্যাব-১১-এর সিও কাজী শমসের, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল ও প্রেস ক্লাব সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাসুম।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিদায় নিতে গিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলেন এসপি হারুন

প্রকাশিত : ১২:০২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বিদায় নিতে গিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলেন। গতকাল দুপুরে পুলিশ লাইনসে তাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় তিনি কেঁদে ফেললেন। বক্তৃতা শেষেও বারবার চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। হারুনকে ৩ নভেম্বর পুলিশ সদর দফতরে বদলি করা হয়। কিন্তু নতুন এসপি না আসায় তিনি নতুন কর্মস্থলে জাননি।

এরই মধ্যে বুধবার নারায়ণগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। সেখানে মন্ত্রীর সামনে পড়ে যান হারুন। তাকে দেখে মন্ত্রী নাখোশ হন এবং দৃশ্যত কড়াভাষায় কিছু কথা বলেন। এরপর ওই অনুষ্ঠানে হারুনকে আর দেখা যায়নি।

গতকাল ঢাকায় সাংবাদিকরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হারুনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে। হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১ নভেম্বর রাতে তিনি ভিত্তিহীন অভিযোগে এক শিল্পপতির পুত্রবধূ ও নাতিকে বাড়ি থেকে তুলে এনেছেন।

কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে হারুন দাবি করেন, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য উদ্ধারের সময় ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অথচ ওই দুজনের বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশন নয়, বাড়ি থেকেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে আসছে।

বিদায় জানানোর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিমউদ্দিন, র‌্যাব-১১-এর সিও কাজী শমসের, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল ও প্রেস ক্লাব সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাসুম।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ