০১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বুলবুল: ঘরে ফিরতে বাধা নেই

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে ক্রমশ শক্তি হারিয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় দেশের সব সমুদ্রবন্দর থেকে মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার করে নিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাই উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ঘরে ফিরতে আর বাধা নেই।

রোববার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসীন এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আমরা সব ধরনের বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছি, আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষের বাড়ি ফিরতে আর কোনো বাধা নেই।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষকে বাড়ি ফিরতে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় প্রশাসন সহায়তা করছে বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৮৮টি।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২১ লাখ ৬ হাজার ৯১৮ মানুষ আশ্রয় নেয়।

ঘণ্টায় ১১৫ কিলোমিটার থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৯টায় পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগর দ্বীপ উপকূলে আঘাত হানে এ ঘূর্ণিঝড়।

প্রায় তিন ঘণ্টায় পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসার পর সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের কাছ দিয়ে বুলবুল পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে।

রোববার ভোর ৫টার দিকে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল অতিক্রম করে খর্ব শক্তির ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছায়। এরপর আরও শক্তি হারিয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বুলবুল: ঘরে ফিরতে বাধা নেই

প্রকাশিত : ০২:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে ক্রমশ শক্তি হারিয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় দেশের সব সমুদ্রবন্দর থেকে মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার করে নিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাই উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ঘরে ফিরতে আর বাধা নেই।

রোববার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসীন এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আমরা সব ধরনের বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছি, আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষের বাড়ি ফিরতে আর কোনো বাধা নেই।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষকে বাড়ি ফিরতে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় প্রশাসন সহায়তা করছে বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৮৮টি।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২১ লাখ ৬ হাজার ৯১৮ মানুষ আশ্রয় নেয়।

ঘণ্টায় ১১৫ কিলোমিটার থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৯টায় পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগর দ্বীপ উপকূলে আঘাত হানে এ ঘূর্ণিঝড়।

প্রায় তিন ঘণ্টায় পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসার পর সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের কাছ দিয়ে বুলবুল পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে।

রোববার ভোর ৫টার দিকে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল অতিক্রম করে খর্ব শক্তির ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছায়। এরপর আরও শক্তি হারিয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান