০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আনিসুল হকের বাসায় প্রধানমন্ত্রী 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে তার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর দুপুর পৌনে ২টার দিকে বনানীর ২৭ নম্বরের বাসায় এসে পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতও করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আনিসুল হকের মরদেহ জাতীয় পতাকা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পতাকা দিয়ে ঢাকা হয়েছে।

এর আগে একটি ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ২টায় লন্ডন থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে তার মরদেহ নিয়ে উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ১২টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০০২ ফ্লাইটযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছানোর পর সরাসরি মেয়রের বনানীর ২৩ নম্বর সড়‌কের ৮০ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়।

মেয়রের মরদেহ বিমান থেকে নামিয়ে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটে আনা হয়। সেখানে মেয়রের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সরকারি দলের নেতাকর্মীরা।

বিমানের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, ‘লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিজি ২০২ ফ্লাইটটি বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করেছে।’

বিমানবন্দরে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে মেয়রের লাশ গ্রহণ করেছেন সংস্থাটির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম, সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর এম এ রাজ্জাক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, প্রধান ভাণ্ডার কর্মকর্তা মো. মনোয়ার উজ জামান, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রধান সমাজ কল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) লে. কর্নেল এস এম সাবের সুলতানসহ সংস্থার ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আনিসুল হকের বাসায় প্রধানমন্ত্রী 

প্রকাশিত : ০৩:১৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে তার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর দুপুর পৌনে ২টার দিকে বনানীর ২৭ নম্বরের বাসায় এসে পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতও করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আনিসুল হকের মরদেহ জাতীয় পতাকা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পতাকা দিয়ে ঢাকা হয়েছে।

এর আগে একটি ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ২টায় লন্ডন থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে তার মরদেহ নিয়ে উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ১২টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০০২ ফ্লাইটযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছানোর পর সরাসরি মেয়রের বনানীর ২৩ নম্বর সড়‌কের ৮০ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়।

মেয়রের মরদেহ বিমান থেকে নামিয়ে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটে আনা হয়। সেখানে মেয়রের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সরকারি দলের নেতাকর্মীরা।

বিমানের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, ‘লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিজি ২০২ ফ্লাইটটি বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করেছে।’

বিমানবন্দরে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে মেয়রের লাশ গ্রহণ করেছেন সংস্থাটির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম, সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর এম এ রাজ্জাক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, প্রধান ভাণ্ডার কর্মকর্তা মো. মনোয়ার উজ জামান, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রধান সমাজ কল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) লে. কর্নেল এস এম সাবের সুলতানসহ সংস্থার ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।