বিদেশি ঋণে সুদহার কম থাকায় বাজেট ব্যবস্থাপনায় এ ঋণের ব্যবহার বাড়াতে চায় সরকার। রবিবার সকালে এক অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব জানান, দেশের বিদ্যমান ঋণের ৬০ ভাগ নেয়া হচ্ছে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। এর বিপরীতে বছরে সুদ গুণতে হচ্ছে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। অথচ বিদেশি ঋণ কম থাকায়, সুদ দিতে হচ্ছে মাত্র ২ হাজার কোটি টাকা।
তিনি জানান, ২০১৮ সালের মার্চে বাংলাদেশ স্বল্পন্নোত দেশের কাতার থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশে উর্ত্তীর্ণ হলে বিদেশি ঋণের সুদহার বেড়ে যাবে প্রায় তিনগুন।
তবে এরপরও বিদেশি ঋণ নেয়া লাভজনক হবে উল্লেখ করে সচিব জানান, বর্তমানে বাজেট ঘাটতির মাত্র দেড়ভাগ বিদেশি ঋণ নেয়া হচ্ছে, যা দুই ভাগে নেয়া হবে। এর জন্য বিদেশি ঋণের বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে। শিগগিরই ঢাকায় তুরস্কের উন্নয়ন সংস্থা, টিকার কার্যালয় চালুর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এছাড়া কাজ শুরু করবে কোরিয়ান রাষ্ট্রায়ত্ব দাতা সংস্থাও।


























