১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডিএপি সারের দাম কেজিতে ৯ টাকা কার্যকর সোমবার

কৃষকের স্বার্থে ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সারের দাম প্রতি কেজিতে ৯ টাকা সোমবার থেকে কার্যকর হচ্ছে।

কৃষক পর্যায়ে ডিএপি সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে প্রতি কেজি ১৬ টাকা, যা আগে ছিল ২৫ টাকা। আর ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১৪ টাকা করা হবে।

সোমবার (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হবে। বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ডিএপি সারের মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। গত ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ে সারের মূল্য হ্রাসের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এ ঘোষণা দেন।

রোববার কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য উপহার অথাৎ হ্রাসকৃত মূলে ডিএপি সারের বিক্রি বিজয় দিবস থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে সুষম সার ব্যবহারে কৃষকরা অধিক ফলন পাবে। পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে।

ডিপিতে ফসফরাসের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন যুক্ত থাকে। যেটা গাছের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করে। ফুল, ফল ও বীজে গুণগতমান বাড়ায়। ফলে এ সার প্রয়োগে একদিকে যেমন ইউরিয়া ও টিএসপি উভয় সারের সুফল পাওয়া যাবে আবার অর্থ ও শ্রম উভয়ের সাশ্রয় হবে।

দেশে বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ টন ডিএপি সারের চাহিদা রয়েছে। দাম কমানোর ফলে ডিএপি সারের ব্যবহার আরো বাড়বে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনদুর্ভোগ নয় স্বাভাবিক চলাচল চান প্রধানমন্ত্রী, আইজিপিকে কড়া নির্দেশ

ডিএপি সারের দাম কেজিতে ৯ টাকা কার্যকর সোমবার

প্রকাশিত : ০৮:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

কৃষকের স্বার্থে ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সারের দাম প্রতি কেজিতে ৯ টাকা সোমবার থেকে কার্যকর হচ্ছে।

কৃষক পর্যায়ে ডিএপি সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে প্রতি কেজি ১৬ টাকা, যা আগে ছিল ২৫ টাকা। আর ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১৪ টাকা করা হবে।

সোমবার (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হবে। বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ডিএপি সারের মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। গত ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ে সারের মূল্য হ্রাসের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এ ঘোষণা দেন।

রোববার কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য উপহার অথাৎ হ্রাসকৃত মূলে ডিএপি সারের বিক্রি বিজয় দিবস থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে সুষম সার ব্যবহারে কৃষকরা অধিক ফলন পাবে। পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে।

ডিপিতে ফসফরাসের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন যুক্ত থাকে। যেটা গাছের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করে। ফুল, ফল ও বীজে গুণগতমান বাড়ায়। ফলে এ সার প্রয়োগে একদিকে যেমন ইউরিয়া ও টিএসপি উভয় সারের সুফল পাওয়া যাবে আবার অর্থ ও শ্রম উভয়ের সাশ্রয় হবে।

দেশে বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ টন ডিএপি সারের চাহিদা রয়েছে। দাম কমানোর ফলে ডিএপি সারের ব্যবহার আরো বাড়বে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান