০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে বসলো আরো দুটি নতুন স্ক্যানার

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরকে গতিশীল করতে আরো দুটি নতুন স্ক্যানার মেশিন বসানো হয়েছে। ‘এফএস-৬০০০’ সিরিজের অত্যাধুনিক এ ফিক্সড কনটেইনার স্ক্যানার মেশিন জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) ১ নম্বর গেট এবং নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ৩ নম্বর গেটে বসানো হয়। স্ক্যানার দুটির মাধ্যমে ঘণ্টায় তিনশ’ কন্টেইনার স্ক্যান করা সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে স্ক্যানার দুইটি উদ্বোধন করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

এ সময় তিনি বলেন, মূলত বন্দরের কাজ হচ্ছে কনটেইনার হ্যান্ডেলিং। আমরা এখানে কেবলমাত্র সহায়ক ভূমিকা রাখি। এ স্ক্যানারগুলো আমদানি ও রফতানি কাজে ব্যবহৃত কনটেইনার স্ক্যান করতে সক্ষম। এছাড়া নতুন দুইটি স্ক্যানারের মাধ্যমে এর প্রতিটি এক ঘণ্টায় ১৫০ কনটেইনার করে মোট তিনশ’ কন্টেইনার স্ক্যান করতে সক্ষম হবে। তবে এগুলো কিভাবে কাজে লাগানো হবে তা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ ধরনের স্ক্যানারে জৈব, অজৈব, ধাতব, প্লাস্টিক, বিভিন্ন পণ্যের রঙের স্ক্যান ইমেজ (ছবি) পাওয়া যাবে। তাই স্ক্যান করা কনটেইনারের পণ্যের পার্থক্য নিরূপণ ও সঠিকতা যাচাই সহজ ও দ্রুত হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর এম শফিউল বারী বলেন, বন্দরকে আরো গতিশীল করার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করছি। এর মাধ্যমে আমরা বন্দরের কনটেইনার, ট্রাকসহ সকল কিছু একটি সিস্টেমেটিক শিডিউলে নিয়ে আসতে সক্ষম হবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এবার ৪২ হাজার ৭৭৯ কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ

চট্টগ্রাম বন্দরে বসলো আরো দুটি নতুন স্ক্যানার

প্রকাশিত : ১১:৫৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

চট্টগ্রাম বন্দরকে গতিশীল করতে আরো দুটি নতুন স্ক্যানার মেশিন বসানো হয়েছে। ‘এফএস-৬০০০’ সিরিজের অত্যাধুনিক এ ফিক্সড কনটেইনার স্ক্যানার মেশিন জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) ১ নম্বর গেট এবং নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ৩ নম্বর গেটে বসানো হয়। স্ক্যানার দুটির মাধ্যমে ঘণ্টায় তিনশ’ কন্টেইনার স্ক্যান করা সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে স্ক্যানার দুইটি উদ্বোধন করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

এ সময় তিনি বলেন, মূলত বন্দরের কাজ হচ্ছে কনটেইনার হ্যান্ডেলিং। আমরা এখানে কেবলমাত্র সহায়ক ভূমিকা রাখি। এ স্ক্যানারগুলো আমদানি ও রফতানি কাজে ব্যবহৃত কনটেইনার স্ক্যান করতে সক্ষম। এছাড়া নতুন দুইটি স্ক্যানারের মাধ্যমে এর প্রতিটি এক ঘণ্টায় ১৫০ কনটেইনার করে মোট তিনশ’ কন্টেইনার স্ক্যান করতে সক্ষম হবে। তবে এগুলো কিভাবে কাজে লাগানো হবে তা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ ধরনের স্ক্যানারে জৈব, অজৈব, ধাতব, প্লাস্টিক, বিভিন্ন পণ্যের রঙের স্ক্যান ইমেজ (ছবি) পাওয়া যাবে। তাই স্ক্যান করা কনটেইনারের পণ্যের পার্থক্য নিরূপণ ও সঠিকতা যাচাই সহজ ও দ্রুত হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর এম শফিউল বারী বলেন, বন্দরকে আরো গতিশীল করার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করছি। এর মাধ্যমে আমরা বন্দরের কনটেইনার, ট্রাকসহ সকল কিছু একটি সিস্টেমেটিক শিডিউলে নিয়ে আসতে সক্ষম হবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান