০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দেশরত্ন শেখ হাসিনা-কামারুজ্জামান হল নির্মাণে নেই অগ্রগতি

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের এক বছরের অধিক সময় পার হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত জাতীর চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল ও দেশরতœ শেখ হাসিনা হলের নির্মান কাজে অগ্রগতি নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ তলা বিশিষ্ট শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া খালেদা জিয়া হলের পূর্ব দিকে শেখ হাসিনা হল। প্রতিটি হল নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৭০ কোটি টাকা করে ১ শত ৪০ কোটি টাকা। এরপর ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ দুটি হলের ভিত্তি প্রসÍর স্থাপন করেন। মাটি পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ এ নির্মাণকাজ।

যদিও ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কাজটি শুরু হয়ে এবছরের জুনের মধ্যে উদ্বোধনের কথা রয়েছে। হল নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর বলছে, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের (পিডব্লিউডি) রেড সিডিউল অনুযায়ী ২০১৪ সালে ৩৬৩ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটটি করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে পিডবিøউডি’র রেড সিডিউল অনুযায়ী সেটি বেড়ে দাড়িয়েছে ৫১০ কোটি টাকা। এজন্য সংশোধিত বাজেট প্রনয়ণে জটিলতা তৈরী হয়েছে। তবে এখনও এ সংক্রান্ত ফাইল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠায়নি উন্নয়ন ও পরিকল্পনা দপ্তর।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক খন্দকার শাহরিয়ার রহমান বলেন, হলের নকশা, স্থান নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে বাজেটের ফাইলটি পাঠানো হবে। একনেকে সংশোধিত বাজেট পাশ হলেই কাজ শুরু করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

দেশরত্ন শেখ হাসিনা-কামারুজ্জামান হল নির্মাণে নেই অগ্রগতি

প্রকাশিত : ০৪:৪৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের এক বছরের অধিক সময় পার হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত জাতীর চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল ও দেশরতœ শেখ হাসিনা হলের নির্মান কাজে অগ্রগতি নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ তলা বিশিষ্ট শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া খালেদা জিয়া হলের পূর্ব দিকে শেখ হাসিনা হল। প্রতিটি হল নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৭০ কোটি টাকা করে ১ শত ৪০ কোটি টাকা। এরপর ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ দুটি হলের ভিত্তি প্রসÍর স্থাপন করেন। মাটি পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ এ নির্মাণকাজ।

যদিও ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কাজটি শুরু হয়ে এবছরের জুনের মধ্যে উদ্বোধনের কথা রয়েছে। হল নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর বলছে, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের (পিডব্লিউডি) রেড সিডিউল অনুযায়ী ২০১৪ সালে ৩৬৩ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটটি করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে পিডবিøউডি’র রেড সিডিউল অনুযায়ী সেটি বেড়ে দাড়িয়েছে ৫১০ কোটি টাকা। এজন্য সংশোধিত বাজেট প্রনয়ণে জটিলতা তৈরী হয়েছে। তবে এখনও এ সংক্রান্ত ফাইল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠায়নি উন্নয়ন ও পরিকল্পনা দপ্তর।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক খন্দকার শাহরিয়ার রহমান বলেন, হলের নকশা, স্থান নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে বাজেটের ফাইলটি পাঠানো হবে। একনেকে সংশোধিত বাজেট পাশ হলেই কাজ শুরু করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ