১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

প্রায় পাঁচ মাস পর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারত। আজ সোমবার ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এক আদেশে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানায়। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই নোটিশ দেওয়া হয়।

রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আদেশে বলা হয়, আগামী ১৫ মার্চ থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কার্যকর হচ্ছে। ন্যূনতম রপ্তানি মূল্যের যে শর্ত ছিল, সেটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন যেকোনো মূল্যে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন।

প্রতিবেশী দেশটি এমন সময়ে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে, যখন দেশে পেঁয়াজের ফলন উঠতে শুরু করেছে। অবশ্য ভারত যে এই সিদ্ধান্ত নেবে, তা দেশটির গণমাধ্যমের খবরে আগেই জানানো হয়েছিল। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে। বিকল্প দেশ থেকে আমদানি হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় পেঁয়াজের দামও কমে যায় এ সময়।

নিজেদের বাজার সামাল দিতে ভারত গত ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। এরপরই বাংলাদেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের মানুষকে অত্যন্ত চড়া দামে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে। একসময় দেশি পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকায় ওঠে, যা স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিঞা মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, মধ্য মার্চ থেকে দেশীয় ফলন উঠতে শুরু করবে। এ সময়েই ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে। এখন যদি পেঁয়াজ আমদানিতে সরকার শুল্ক আরোপ না করে, তাহলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এবার যদি কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে পেঁয়াজের ফলন বাড়বে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

প্রকাশিত : ০৯:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২০

প্রায় পাঁচ মাস পর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারত। আজ সোমবার ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এক আদেশে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানায়। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই নোটিশ দেওয়া হয়।

রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আদেশে বলা হয়, আগামী ১৫ মার্চ থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কার্যকর হচ্ছে। ন্যূনতম রপ্তানি মূল্যের যে শর্ত ছিল, সেটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন যেকোনো মূল্যে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন।

প্রতিবেশী দেশটি এমন সময়ে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে, যখন দেশে পেঁয়াজের ফলন উঠতে শুরু করেছে। অবশ্য ভারত যে এই সিদ্ধান্ত নেবে, তা দেশটির গণমাধ্যমের খবরে আগেই জানানো হয়েছিল। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে। বিকল্প দেশ থেকে আমদানি হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় পেঁয়াজের দামও কমে যায় এ সময়।

নিজেদের বাজার সামাল দিতে ভারত গত ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। এরপরই বাংলাদেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের মানুষকে অত্যন্ত চড়া দামে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে। একসময় দেশি পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকায় ওঠে, যা স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিঞা মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, মধ্য মার্চ থেকে দেশীয় ফলন উঠতে শুরু করবে। এ সময়েই ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে। এখন যদি পেঁয়াজ আমদানিতে সরকার শুল্ক আরোপ না করে, তাহলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এবার যদি কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে পেঁয়াজের ফলন বাড়বে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ