টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলাম কর্নেল (অব.) আজাদের গাড়িবহর থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর টহল দল। গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের নাগবাড়ী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় পাঁচটি হকিস্টিক, চারটি চায়নিজ কুড়াল ও লাঠি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুল ইসলাম তাঁর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করে ফিরছিলেন। বহরের চারটি গাড়ির প্রথমটিতে ছিলেন আসাদুল ইসলাম। মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের নাগবাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে গাড়িবহরটি তল্লাশি করা হয়। এ সময় বহরের দ্বিতীয় গাড়িতে দেশীয় অস্ত্র পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ওই গাড়িতে থাকা তিনজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মধুপুর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে আল বোখারী, একই গ্রামের জুলহাস আলীর ছেলে নাইম ও ইদ্রিস আলীর ছেলে রিপন হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তল্লাশির খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুলের কর্মী-সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে আসতে শুরু করেন। চেকপোস্টে দায়িত্বপ্রাপ্তরাও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ঘণ্টাখানেক পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আটক তিনজনসহ দেশীয় অস্ত্রগুলো নিয়ে থানায়যান।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাফর ইকবাল বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে মামলা নেয়া হয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মধুপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দিন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করায় সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়নি। এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।
এই ব্যাপারে জানতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তবে গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। গুজব ছড়ানো হচ্ছে। শহীদ হাদিরা যেখানে নিরাপদ নয়। সেখানে আমারও জীবনের মায়া আছে। এ জন্য আমিও একা ঘুরি না।’
ডিএস../




















