জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের শুভক্ষণে বর্ণিল আতশবাজি চলছে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। মঙ্গলবার রাত আটটা থেকে শুরু হয়েছে এই অনুষ্ঠান।
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আজ ১০০ বছর পূর্ণ হতো। তার জন্মের শতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিদেশি অনেক মেহমানেরও। তবে করোনাভাইরাস বিশ্বপরিস্থিতি আমূল পাল্টে দেয়ায় অনুষ্ঠান সীমিত করা হয়।
দেশের সব টেলিভিশন, বিদেশি টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একযোগে প্রচারিত হচ্ছে ‘মুক্তির মহানায়ক’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান। দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশি কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও ভাষণ দেবেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠে একটি কবিতাও শোনা যাবে। শেখ রেহানার কণ্ঠে থাকবে মুজিববর্ষের থিম সং। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে ও ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আতশবাজি হচ্ছে।
এদিকে, রবীন্দ্র সরেবর, হাতিরঝিল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় আতশবাজি প্রদর্শনী হচ্ছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে পিক্সেল ম্যাপিং, সেখানে থাকছে লেজার শোও।
এদিকে আতশবাজি উৎসব দেখার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন৷ তবে নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে এ সংখ্যা খুবই সীমিত৷ চারপাশ ঘিরে প্রচুর মানুষ রয়েছে।
এ উপলক্ষে বর্ণিলভাবে সাজানো হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান৷ আতশবাজি প্রদর্শন হচ্ছে স্বাধীনতা স্তম্ভের সামনে থেকে৷
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান






















