০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সবার জন্যই খুব বাজে একটি সময়: সাবিনা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০১:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
  • 78

করোনা পরিস্থিতির কারণে এখন ঘরবন্দি সময় পার করছেন মানুষ৷ কারণ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাকেই প্রতিরোধের বড় উপায় হিসেবে ধরা হচ্ছে। দেশিও শোবিজ তারকারাও ঘরবন্দি সময় কাটাচ্ছেন। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনও গত প্রায় এক মাস ধরে বাসাতেই অবস্থান করছেন৷ নিজে সচেতন থেকে সবাইকে সচেতনতার পরামর্শ দিচ্ছেন। সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এটা সবার জন্যই খুব বাজে একটি সময়। সবাই আতঙ্কে আছে। আর করোনা এখন সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হলো অনেকেই দেখছি তা মানছেন না।

আমি সবাইকে বলবো অবশ্যই এটা মেনে চলতে। এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় এক মাস ধরে আমি বাসাতেই আছি। বাসার কাজ করেই সময় চলে যাচ্ছে। মনে হয় ঘরবন্দি এই সময়টা কাটাতে মেয়েদের খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। কারণ, আমরা এ প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত। তবে পুরুষদের একটু সমস্যা হচ্ছে। তরুণেরাও সমস্যায় আছে। মেয়েদের সময় কাটানোর কিছুই নেই। বাসায় আসলে নানা ধরনের কাজ থাকে। বাসার কাজে সহযোগিতা যারা করতেন, তারা কেউই তো এখন নেই। সবাইকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি। আর কাজের ব্যস্ততায় আমরা একে অন্যের খোঁজখবরও তেমন  নিতে পারতাম না। আমি একটা  তালিকা করে নিয়েছি। যাদের অনেক দিন পর্যন্ত কোনো খবর নিতে পারতাম না, তাদের খবর নিচ্ছি ফোন করে। আমারও খবর নিচ্ছেন অনেকে। সাবিনা ইয়াসমিন আরো বলেন, ঘরের কাজ ছাড়াও সব সময় টিভি সংবাদের মাধ্যমে করোনার আপডেট রাখছি। আমি মনে করি, যাদের মধ্যে সৃজনশীল মন আছে, তারা এই সময়টাকে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারেন। ছবি আঁকা, গানের চর্চা, কবিতা কিংবা গল্প-উপন্যাস লিখা যায়। আমার কাছে তো মনে হয়, সময় যদি আরেকটু পেতাম। কখন কীভাবে যে চলে সময় যায় বলতে পারি না। সকালে উঠে কিছু কাজকর্ম করেই রেওয়াজ করতে বসি। আমি সবাইকে বলবো, ভয় পেলে চলবে না। এটা কেটে যাবে। এই মহামারি সৃষ্টিকর্তা আমাদের দিয়েছেন, তিনিই আমাদের উদ্ধার করবেন। করোনা যখন এসেছে, তখম তা একসময় চলেও যাবে। তবে করোনায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছেন, দেশের স্বল্প আয়ের মানুষ। দিন আনে দিন খাওয়া এসব মানুষ বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন। সরকারও ভাবছে এ ধরনের মানুষকে নিয়ে। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এসব মানুষের পাশে দাড়ানো উচিত।
ট্যাগ :

টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে নারীর লাশ: নওগাঁর মিতু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৪

সবার জন্যই খুব বাজে একটি সময়: সাবিনা

প্রকাশিত : ০১:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

করোনা পরিস্থিতির কারণে এখন ঘরবন্দি সময় পার করছেন মানুষ৷ কারণ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাকেই প্রতিরোধের বড় উপায় হিসেবে ধরা হচ্ছে। দেশিও শোবিজ তারকারাও ঘরবন্দি সময় কাটাচ্ছেন। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনও গত প্রায় এক মাস ধরে বাসাতেই অবস্থান করছেন৷ নিজে সচেতন থেকে সবাইকে সচেতনতার পরামর্শ দিচ্ছেন। সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এটা সবার জন্যই খুব বাজে একটি সময়। সবাই আতঙ্কে আছে। আর করোনা এখন সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হলো অনেকেই দেখছি তা মানছেন না।

আমি সবাইকে বলবো অবশ্যই এটা মেনে চলতে। এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় এক মাস ধরে আমি বাসাতেই আছি। বাসার কাজ করেই সময় চলে যাচ্ছে। মনে হয় ঘরবন্দি এই সময়টা কাটাতে মেয়েদের খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। কারণ, আমরা এ প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত। তবে পুরুষদের একটু সমস্যা হচ্ছে। তরুণেরাও সমস্যায় আছে। মেয়েদের সময় কাটানোর কিছুই নেই। বাসায় আসলে নানা ধরনের কাজ থাকে। বাসার কাজে সহযোগিতা যারা করতেন, তারা কেউই তো এখন নেই। সবাইকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি। আর কাজের ব্যস্ততায় আমরা একে অন্যের খোঁজখবরও তেমন  নিতে পারতাম না। আমি একটা  তালিকা করে নিয়েছি। যাদের অনেক দিন পর্যন্ত কোনো খবর নিতে পারতাম না, তাদের খবর নিচ্ছি ফোন করে। আমারও খবর নিচ্ছেন অনেকে। সাবিনা ইয়াসমিন আরো বলেন, ঘরের কাজ ছাড়াও সব সময় টিভি সংবাদের মাধ্যমে করোনার আপডেট রাখছি। আমি মনে করি, যাদের মধ্যে সৃজনশীল মন আছে, তারা এই সময়টাকে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারেন। ছবি আঁকা, গানের চর্চা, কবিতা কিংবা গল্প-উপন্যাস লিখা যায়। আমার কাছে তো মনে হয়, সময় যদি আরেকটু পেতাম। কখন কীভাবে যে চলে সময় যায় বলতে পারি না। সকালে উঠে কিছু কাজকর্ম করেই রেওয়াজ করতে বসি। আমি সবাইকে বলবো, ভয় পেলে চলবে না। এটা কেটে যাবে। এই মহামারি সৃষ্টিকর্তা আমাদের দিয়েছেন, তিনিই আমাদের উদ্ধার করবেন। করোনা যখন এসেছে, তখম তা একসময় চলেও যাবে। তবে করোনায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছেন, দেশের স্বল্প আয়ের মানুষ। দিন আনে দিন খাওয়া এসব মানুষ বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন। সরকারও ভাবছে এ ধরনের মানুষকে নিয়ে। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এসব মানুষের পাশে দাড়ানো উচিত।