০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বেড়েছে কিশোর গ্যাংদের উৎপাত

চট্টগ্রামে হাটহাজারীতে করোনা ভাইরাসে কারণে লকডাউন যতই বাড়ছে,ততই কিশোর গ্যাংদের উৎপাত বাড়ছে।
উপজেলা পৌর সদরে বাসস্ট্যান্ড , কলেজগেইট, বাজার,মেডিকেল গেইট, সুবেদার পুকুর পাড় ব্রীজ, কামালপাড়া আলীপুর,মিরেরহাট শায়েস্তা খাঁ ও বিভিন্ন রেল স্টেশনসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় কিশোর গ্যাংদের আনাগোনা লক্ষনীয়।
সন্ধ্যার পর বিভিন্ন মোড়ে অলিগলিতে অন্ধকারে দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকে আবার কখনো বা সিএনজি অটোরিক্সা ও ব্যাটারী রিক্সা নিয়ে চিৎকার করে বেসুরো গলায় উচ্চস্বরে গান বাজনা চালিয়ে যায়।
বিশেষ করে কোন মহিলা দেখলে তাদের গলা বেসুরো গান আরো উচ্চস্বরে গাইতে থাকে, পাশাপাশি বিভিন্ন অংঙ্গভঙ্গিতে অশালীন ভাষায় বাজে মন্তব্য করেন।এছাড়াও বিভিন্ন বাসা /বাড়ি ফাঁকা দেখলে চুরি ছিনতাইর মতোই ঘটনাও ঘটায়। চুরি ছিনতাই করে যা রোজগার হবে তা দিয়ে মাদকসেবন করে। গত কয়েক মাস পুর্বে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হবার পর হাটহাজারী সার্কেলে অতি:পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুমের নির্দেশে হাটহাজারী পুলিশ প্রশাসন এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলে উৎপাত কিছুটা কমে আসে।
রপরে অত্র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম গত বছরে সেপ্টেম্বর মাসে যোগদানের পর মাদক ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে সাড়াশী অভিযান পরিচালনা করলে এলাকায় কিছু অপরাধ কমে আসে, কিন্তুু করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ে যখন পুলিশ ব্যস্ত, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই কিশোর গ্যাং আবারো স্বরূপে ফিরে আসে।
সন্ধ্যার পর দল বেঁধে এই কিশোর গ্যাংরা মড়িয়া হয়ে্ উঠে ছিনতাই, চুরি,মাদকসেবনে। যার ফলেশ্রুতিতে কিছু দিন আগে মেডিকেল গেইট, কামালপাড়া, শায়েস্তা খাঁ পাড়া,আলীপুর, এলাকা ছিনতাই”র ঘটনা ঘটালে এলাকাবাসীর ধাওয়ার মুখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, এই কিশোর গ্যাংরা পুলিশের অভিযানে কিছু দিন চুপ করে থাকলেও করোনা ক্রান্তিকালে পুলিশ যখন ব্যস্ত, তখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।এদের মধ্য কিছু সদস্যরা মাদক বেচাকেনা ও সেবনের সাথে জড়িত রয়েছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত দল বেঁধে বিভিন্ন অলিগলিতে চুরি, ছিনতাই ও মহিলাদের ইভটিজিং করতে দেখা গেছে। কেউ যদি প্রতিবাদ করে মোবাইলে ফোন করে আরো কয়েকজনকে নিয়ে এসে অপদস্ত করে।অনেক সময় বড় ভাইদের ভয়ও দেখায়। তাই কেউ মান সম্মানের কথা চিন্তা করে প্রতিবাদ করে না।
এই ব্যাপারে হাটহাজারী সার্কেলে অতি:পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন,এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেছি।আপনার জানান যে, গত কিছুদিন আগে এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে আমি নিজে মাঠে নেমে অভিযান পরিচালনা করি,সেই সাথে আমার অধীনে তিনটি থানার অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেছি। এদের ব্যাপারে কেউ সুপারিশ করলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সরওয়ার আলমগীরের প্রতীক বরাদ্দ বৈধ, অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বেড়েছে কিশোর গ্যাংদের উৎপাত

প্রকাশিত : ০৪:৫০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০
চট্টগ্রামে হাটহাজারীতে করোনা ভাইরাসে কারণে লকডাউন যতই বাড়ছে,ততই কিশোর গ্যাংদের উৎপাত বাড়ছে।
উপজেলা পৌর সদরে বাসস্ট্যান্ড , কলেজগেইট, বাজার,মেডিকেল গেইট, সুবেদার পুকুর পাড় ব্রীজ, কামালপাড়া আলীপুর,মিরেরহাট শায়েস্তা খাঁ ও বিভিন্ন রেল স্টেশনসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় কিশোর গ্যাংদের আনাগোনা লক্ষনীয়।
সন্ধ্যার পর বিভিন্ন মোড়ে অলিগলিতে অন্ধকারে দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকে আবার কখনো বা সিএনজি অটোরিক্সা ও ব্যাটারী রিক্সা নিয়ে চিৎকার করে বেসুরো গলায় উচ্চস্বরে গান বাজনা চালিয়ে যায়।
বিশেষ করে কোন মহিলা দেখলে তাদের গলা বেসুরো গান আরো উচ্চস্বরে গাইতে থাকে, পাশাপাশি বিভিন্ন অংঙ্গভঙ্গিতে অশালীন ভাষায় বাজে মন্তব্য করেন।এছাড়াও বিভিন্ন বাসা /বাড়ি ফাঁকা দেখলে চুরি ছিনতাইর মতোই ঘটনাও ঘটায়। চুরি ছিনতাই করে যা রোজগার হবে তা দিয়ে মাদকসেবন করে। গত কয়েক মাস পুর্বে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হবার পর হাটহাজারী সার্কেলে অতি:পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুমের নির্দেশে হাটহাজারী পুলিশ প্রশাসন এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলে উৎপাত কিছুটা কমে আসে।
রপরে অত্র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম গত বছরে সেপ্টেম্বর মাসে যোগদানের পর মাদক ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে সাড়াশী অভিযান পরিচালনা করলে এলাকায় কিছু অপরাধ কমে আসে, কিন্তুু করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ে যখন পুলিশ ব্যস্ত, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই কিশোর গ্যাং আবারো স্বরূপে ফিরে আসে।
সন্ধ্যার পর দল বেঁধে এই কিশোর গ্যাংরা মড়িয়া হয়ে্ উঠে ছিনতাই, চুরি,মাদকসেবনে। যার ফলেশ্রুতিতে কিছু দিন আগে মেডিকেল গেইট, কামালপাড়া, শায়েস্তা খাঁ পাড়া,আলীপুর, এলাকা ছিনতাই”র ঘটনা ঘটালে এলাকাবাসীর ধাওয়ার মুখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, এই কিশোর গ্যাংরা পুলিশের অভিযানে কিছু দিন চুপ করে থাকলেও করোনা ক্রান্তিকালে পুলিশ যখন ব্যস্ত, তখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।এদের মধ্য কিছু সদস্যরা মাদক বেচাকেনা ও সেবনের সাথে জড়িত রয়েছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত দল বেঁধে বিভিন্ন অলিগলিতে চুরি, ছিনতাই ও মহিলাদের ইভটিজিং করতে দেখা গেছে। কেউ যদি প্রতিবাদ করে মোবাইলে ফোন করে আরো কয়েকজনকে নিয়ে এসে অপদস্ত করে।অনেক সময় বড় ভাইদের ভয়ও দেখায়। তাই কেউ মান সম্মানের কথা চিন্তা করে প্রতিবাদ করে না।
এই ব্যাপারে হাটহাজারী সার্কেলে অতি:পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন,এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেছি।আপনার জানান যে, গত কিছুদিন আগে এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে আমি নিজে মাঠে নেমে অভিযান পরিচালনা করি,সেই সাথে আমার অধীনে তিনটি থানার অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেছি। এদের ব্যাপারে কেউ সুপারিশ করলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।