০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

করোনার ভ্যাক্সিন বা র‍্যাপিট কিট আবিষ্কারের গবেষণায়ও নেই ঢাবি

করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন এর কারণে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। এই মহামারি প্রতিরোধে পুরো বিশ্ব ওঠে পরে লেগেছে। র‍্যাপিট টেস্টিং কিট ও ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে চলছে বিস্তর গবেষণা।

এই গবেষণা গুলোর অধিকাংশ করছে বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি। পিছিয়ে নেই বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোও।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় করছে ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের চেষ্টা। সারা বিশ্বকে করোনাভাইরাসের তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ব্লাড প্লাজমার কথা বলেছে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পিছিয়ে নেই পাশের দেশ ভারতও। ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় আলোচনায় এসেছেন হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. সীমা মিশ্র।

কিন্তু ভ্যাক্সিন বা র‍্যাপিট টেস্টিং কিট আবিষ্কারের গবেষণায় নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে সম্প্রতি নভেল করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম নভেল করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।এরপরেই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে।এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃতের হার যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলাদেশে প্রথম কোভিড নাইনটিন আক্রান্ত রোগী ধরা পরে মার্চ মাসের ৭ তারিখে।এখন পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা ১৮ হাজার ৮ শ ৬৩ জন এবং মারা গেছেন ২ শ ৮৩ জন।

‘পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় গবেষণা করা সম্ভব হচ্ছে না’ বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি গবেষণা সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান।

অধ্যাপক ড.শরীফ আখতারুজ্জামান বলেন, আমাদের গবেষণা বাজেট কত? ওই বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর (যারা গবেষণা করছে) গবেষণার জন্য বরাদ্দ আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার বরাদ্দের দিকে তাকালে বুঝা যায় কেন এইখানে গবেষণা হয় না। বাজেট ছাড়া বিজ্ঞান হয় না।

তবে তিনি বলেন, আমাদের এইখানে একটা কাজ হচ্ছে। আমরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে একশো নমুনা সংগ্রহ করেছি। এই নমুনা গুলো থেকে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে কাজ হবে। এর মাধ্যমে ভাইরাসের গতিবিধি ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে আমরা একটা ধারণা পাবো।

 

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

করোনার ভ্যাক্সিন বা র‍্যাপিট কিট আবিষ্কারের গবেষণায়ও নেই ঢাবি

প্রকাশিত : ১২:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০
করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন এর কারণে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। এই মহামারি প্রতিরোধে পুরো বিশ্ব ওঠে পরে লেগেছে। র‍্যাপিট টেস্টিং কিট ও ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে চলছে বিস্তর গবেষণা।

এই গবেষণা গুলোর অধিকাংশ করছে বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি। পিছিয়ে নেই বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোও।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় করছে ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের চেষ্টা। সারা বিশ্বকে করোনাভাইরাসের তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ব্লাড প্লাজমার কথা বলেছে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পিছিয়ে নেই পাশের দেশ ভারতও। ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় আলোচনায় এসেছেন হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. সীমা মিশ্র।

কিন্তু ভ্যাক্সিন বা র‍্যাপিট টেস্টিং কিট আবিষ্কারের গবেষণায় নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে সম্প্রতি নভেল করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম নভেল করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।এরপরেই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে।এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃতের হার যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলাদেশে প্রথম কোভিড নাইনটিন আক্রান্ত রোগী ধরা পরে মার্চ মাসের ৭ তারিখে।এখন পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা ১৮ হাজার ৮ শ ৬৩ জন এবং মারা গেছেন ২ শ ৮৩ জন।

‘পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় গবেষণা করা সম্ভব হচ্ছে না’ বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি গবেষণা সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান।

অধ্যাপক ড.শরীফ আখতারুজ্জামান বলেন, আমাদের গবেষণা বাজেট কত? ওই বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর (যারা গবেষণা করছে) গবেষণার জন্য বরাদ্দ আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার বরাদ্দের দিকে তাকালে বুঝা যায় কেন এইখানে গবেষণা হয় না। বাজেট ছাড়া বিজ্ঞান হয় না।

তবে তিনি বলেন, আমাদের এইখানে একটা কাজ হচ্ছে। আমরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে একশো নমুনা সংগ্রহ করেছি। এই নমুনা গুলো থেকে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে কাজ হবে। এর মাধ্যমে ভাইরাসের গতিবিধি ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে আমরা একটা ধারণা পাবো।

 

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক